• শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়,বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্বঃ জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের প্রধান করণীয় হলো নিরপেক্ষতা ও সত্যনিষ্ঠা বজায় রাখা ……ইউএনও কেএম ইশমাম ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সন্ধ্যায় জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবিঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি সামাজিকভাবে দুর্নীতিরবাজদের ঘৃনা করা উচিতঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি মানুষের দুঃসময়ে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধান দায়িত্বঃ জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার মতলব উত্তরে বিজয় দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায় দুর্বলতা উচ্চশিক্ষায় প্রভাব ফেলেঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  ধনাগোদা নদীর ওপর মতলব-গজারিয়া ঝুলন্ত সেতু প্রকল্প পরিদর্শনে কোরিয়ান প্রতিনিধি দল

হুমকিতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ

আকষ্মিকভাবে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধিঃ তীরবর্তী এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন

Lovelu / ২৯৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আকষ্মিকভাবে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা ও তীরবর্তী আশপাশে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের তীব্রতা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ হুমকিতে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে শুধু হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নয় পার্শ্ববর্তী লালন শাহ সেতুও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

গত ৩ আগস্ট থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু ও পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙনের আশংকাজনক চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্থানীয় অনেকেই বলেছেন, এক সময় প্রমত্তা পদ্মারূপে দৃশ্যমান ছিলো তখন হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ১৫টি স্প্যান পানির মধ্যেই অবস্থান করতো। স্বাধীনতা উত্তরকালীন সময়ে ফারাক্কা বাঁধের কারণে পানি সংকট ও নদীর নাব্যতা হারিয়ে ফেলায় প্রমত্তা পদ্মা সরু নদীতে পরিণত হয়। সে সময় হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পশ্চিম পাড়ের ভেড়ামারা অংশের ৪/৫টি স্প্যান পর্যন্ত সরু নদীতে পানি থাকতো। বাকিটায় চর পরে সমতল ভূমিতে পরিণত হয়ে যেতো। এসময় স্থানীয় কৃষকরা নানা ধরনের ফসলের চাষ করতো এই চরে। গত মৌসুমেও বাদামসহ নানা ধরনের শষ্য আবাদ হয়েছে। এখনও শত শত বিঘা কলার আবাদ পরিলক্ষিত হচ্ছে এই চরে। আকষ্মিকভাবে পানি বৃদ্ধির কারণে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় আবাদকৃত কলার জমিও নদীগর্ভে বিলিন হতে শুরু করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, পদ্মা নদীতে গত কয়েক দিন থেকেই আকষ্মিকভাবেই পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। গত জুলাই মাসের ২৫ তারিখে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির পরিমান ছিলো ৯.২৫ সেন্টিমিটার। এখন তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ সেন্টিমিটারেরও বেশি। প্রতিদিনই ৩০-৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই কারণে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পদ্মা নদীর এই ভাঙনের কারণে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে কি না জানতে চাইলে পাকশি বিভাগীয় রেলওয়ের একজন ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা জানান, নদীতে পানি যতই বৃদ্ধি পাক আর ভাঙন দেখা দিক, তাতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কোন ক্ষতি হবে না। এই ব্রিজের পিলারগুলো নদীর অনেক গভীর পর্যন্ত পাইলিং করে স্থাপন করা হয়েছে। নদী ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও রেলওয়ে যৌথভাবে নকশা প্রনয়নের মাধ্যমে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পানি কমে গেলে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category