• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ গড়ে তোলেঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি চাঁদপুর-২ আসন পূর্ণ গঠনে ১১ দফা পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন বিআরপি প্রার্থী ফয়জুন্নুর আখন বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষার প্রশিক্ষণ সেন্টার খোলা হবে : ইঞ্জি. শাহনাজ শারমিন  কলাকান্দা ইউনিয়নে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল  মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে উদগ্রীব হয়ে আছে: ড.জালাল উদ্দিন  সংবর্ধনার মাধ্যমে অনুপ্রেরণা নিয়ে প্রকৃত মানুষ হয়ে দেশের কল্যাণে সকলকে কাজ করতে হবেঃ ডা. দেওয়ান মোঃ ইমদাদুল হক মানিক খেলাধুলা সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোর অন্যতম মাধ্যমঃ আলমগীর সরকার মেজর জিয়াকে ৭১ রণাঙ্গনে যুদ্ধে যেতে সাহস যুগিয়ে ছিলেন খালেদা- ডাঃ জাহিদ মতলবে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর আয়োজনে এসএসসি ৯৫ ব্যাচের ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন শ্রীনগরে মধ্য বাঘড়া আলহেরা আইডিয়াল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

অসাধারণ ব্যাট উপহার দিয়েছে আফিফ ও মিরাজ

রেকর্ড জুটিতে বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য জয়

Lovelu / ২৮৩ Time View
Update : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

ডেস্ক নিউজঃ

জয়ের জন্য ২১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৪৫ রানে টপ অর্ডারের ৬ উইকেট হারিয়ে ধুকছে বাংলাদেশ। ঠিক সেখান থেকেই শুরু করে রেকর্ড জুটিতে বাংলাদেশকে অবিশ্বাস্য জয় উপহার দিলের তরুণ দুই ব্যাটার আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। আফগানদের বিপক্ষে ৭ বল হাতে থাকতেই ৪ উইকেটে জিতে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল টাইগাররা।

সপ্তম উইকেট জুটিতে আফিফ-মিরাজ ১৭৪ রানে অপরাজিত থেকে রেকর্ড গড়েন। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইমরুল কায়েস ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ১২৭ রানের। সেবার বাংলাদেশ আগে ব্যাট করেছিল। আজ মাত্র ৩ রানের জন্য সপ্তম উইকেট জুটিতে বিশ্ব রেকর্ড হলো না। ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের জস বাটলার ও আদিল রশিদ ১৭৭ রান করে এই রেকর্ডের চূড়ায় রয়েছেন।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বিপদে পরে বাংলাদেশ। ওপেনার লিটন (১),তামিম ইকবাল (৮),মুশফিকুর রহিম (৩), ইয়াসির আলী (০) ও সাকিব আল হাসান (১০)। এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ইনিংসের ১১.২ ওভারে দলীয় ৪৫ রানে বিদায় নেন। দলের কঠিন বিপদে ব্যাটিংয়ে নামের আফিফ ও মিরাজ। সেখান থেকে অসাধারণ ব্যাট উপহার দিয়ে বাংলাদেশকে জয় উপহার দেন তারা।

এর আগে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকদের এমন বোলিং তোপের মুখে ২১৫ রান তুলতেই সব উইকেট হারালো আফগানিস্তান। ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১১ রানেই প্রথম উইকেট হারায় আফগানিস্তান। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই আফগান ওপেনার রহমতুল্লাহ গুরবাজকে বিদায় করেন মোস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসারের দ্বিতীয় ওভারে মিড উইকেটে তুলে মারতে গিয়ে তামিম ইকবালের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন গুরবাজ(৭)।

ষষ্ঠ ওভারে ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের কাছে ক্যাচ তুলে দেন আফগানিস্তানের ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান। সেই ক্যাচটি তালুবন্দি করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে গুরবাজ ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৯ রান করে এই ব্যাটার শরিফুলের বলে ইয়াসির আলী রাব্বির দারুণ এক ক্যাচে ফেরেন।

দলীয় ৫৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলা আফগানিস্তানের রানের চাকা সচল রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন রহমত শাহ। কিন্তু তিনে নামা এই ব্যাটারকে ইনিংস দীর্ঘ করতে দিলেন না তাসকিন আহমেদ। ডানহাতি এই টাইগার পেসারের বলে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরার আগে রহমত ৬৯ বলে ৩৪ রান করেন।

আফগান শিবিরে চতুর্থ ধাক্কা দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পার্ট-টাইম এই স্পিনার ম্যাচে প্রথমবার বল হাতে নিয়ে তুলে নেন হাশমতুল্লাহ শহীদির উইকেট। রিয়াদের স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে কট বিহাইন্ড হয়ে ফেরার আগে সফরকারী দলের অধিনায়ক ৪৩ বলে করেছেন ২৮ রান। এরপর নবি ও নজিবুল্লাহ মিলে গড়েন ৬৩ বলে ৬৩ রানের জুটি। ৩৯তম ওভারে নবিকে ২০ রানে বিদায় করে জুটি ভাঙেন তাসকিন।

নবি গেলেও বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে ছিলেন নজিবুল্লাহ। মাটি কামড়ে পড়ে থেকে ফিফটিও তুলে নেন এই আফগান ব্যাটার। তবে অন্যপ্রান্তে ছিল আসা-যাওয়ার মিছিল। এর মধ্যে সাকিবের এক ওভারে পড়ে ২ উইকেট। ইনিংসের ৪৫তম ও সাকিবের নবম ওভারের তৃতীয় বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন গুলবাদিন নাইব (১৭)। ওভারের শেষ বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন রশিদ খান (০)।

৪৬তম ওভারে মোস্তাফিজের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মুজিব উর রহমান (০)। ৪৯তম ওভারে বোলিংয়ে এসে চতুর্থ বলে জাদরানকে বিদায় করেন শরিফুল। বাঁহাতি পেসারের বলে তুলে মারতে গিয়ে লং-অনে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন ৮৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৬৭ রান করেন জাদরান। শেষ ওভারে ফের মোস্তাফিজের আঘাত। এবার ইয়ামিন আহমাদজাইকে (৫) লং অনে রিয়াদের ক্যাচে পরিণত করেন ফিজ।

বল হাতে ৩টি উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ। ২টি করে উইকেট গেছে শরিফুল, তাসকিন ও সাকিবের দখলে। বাকি মাহমুদউল্লাহর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category