মাহবুব আলম লাভলু:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নের খাগুরিয়া, হাপানিয়া ও নবীপুরে ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করছে। নদীর তীব্র ভাঙ্গনে মেঘনা-ধনগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধটি হুমকির মুখে রয়েছে। ধনাগোদা নদীর পাড়ের মানুষ আতঙ্কে মধ্যে দিনযাপন করছে।
নদী ভাঙ্গন রোধে শুক্রবার(১৪ ফেব্রুয়ারী২০২৫) উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠিক সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মনজুর আমিন স্বপনের নেতৃত্বে স্হানীয় বাসিন্দারা ইলেকট্রনিক্স ও ৩ মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। তাদের দাবী দ্রুত নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্হা না নিলে জমিসহ ভিটে মাটি ছাড়া হবে। ভাঙনের শিকার হবে মেঘনা-ধনগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধটি।
জানা গেছে,অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের কারণে মতলবে দিনদিন নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করছে। ভাঙনে কৃষি জমি, ঘরবাড়ি, রাস্তা, নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধটি নদী দ্বারা বেষ্টিত। নদী ভাঙনের কারণে বেড়িবাঁধ এখন হুমকির মুখে।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার বাগানবাড়ী ইউনিয়নের খাগুরিয়া, হাপানিয়া, নবীপুর গ্রামের বেশ কিছু এলাকা গত এক সপ্তাহে অসময়ে ভাঙনে নদীরপাড় বাড়ি-ঘড়, সংলগ্ন রাস্তা, সরকারি ঘাটলা সহ ফসলী জমি ইতোমধ্যেই ভেঙে গিয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছে কয়েক শতাধিক পরিবার। আতংকে রয়েছে তিনটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ ।

উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠিক সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মনজুর আমিন স্বপন বলেন, গত সপ্তাহ থেকে আবারো নতুন করে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারন করেছে। অনেকে ইতিমধ্যে জমি হারিয়ে পথে বসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাপারে কোন দৃষ্টি নেই। কখন যে নদী ভেঙে আমাদের ঘরবাড়ি, ফসলী জমিসহ নদীতে বিলীন হচ্ছে। এমনকি মেঘনা ধনাগাদা বেড়ী বাঁধটির ঝুঁকিতে পড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) নদী ভাঙ্গন রোদে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
ইউপি সদস্য চাঁন মিয়া বলেন, নদীর পানি কমেছে, বেরেছে নদীর স্রোত। কয়েকদিনে অনেক জায়গা ভেঙেছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে এসব এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইটভাটা, মসজিদ, হাট-বাজার ও রাস্তা-ঘাট।
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের(পাউবোর) নির্বাহী প্রকৌশলীর মো.সেলিম শাহেদ বলেন, আমি নতুন এসেছি। ভাঙনের বিষয়টি আমি জানতাম না। এখন জানলাম। বিষয়টি দেখে দ্রুত ব্যবস্হা নেওয়া হবে।