• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
Headline
মতলব উত্তরে রাস্তার পাশে  লাশ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য মতলব উত্তরে পাসের হার এসএসসিতে ৫৮.৫০, ভোকেশনাল ৬৬.৬৭ ও দাখিলে ৩৯.৬১ মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে খাল দখলে  জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে দুই গ্রামের মানুষ কুমিল্লা ধর্মসাগর পাড় সুপ্রভাত মঞ্চে নতুন নিয়ম, সপ্তাহে চারদিন হবে গানের আসর শ্রীনগরে আল-আমিন বাজারে তীব্র যানজট চরম ভোগান্তিতে ক্রেতা ও পথচারী নিজ অর্থায়নে সড়ক সংস্কার করে প্রশংসায় মেম্বার প্রার্থী আব্দুস সালাম বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ: আহত অন্তত ৩০ ​ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রূপগঞ্জে বিএনপির আনন্দ শোভাযাত্রা প্রকৃতির কোলে সংস্কৃতির মিলনমেলায় প্রতিদিনই ইতিহাস লিখছে কুমিল্লার সুপ্রভাত মঞ্চ ত্রিশালে পরিচ্ছন্নতা সচেতনতায় ‘ক্লিন ত্রিশাল-ক্লিন ময়মনসিংহ’ ক্যাম্পেইন

শ্রীনগরে ৬শ টাকার থ্রি পিস হাজার টাকা সেলাই মজুরি

Lovelu / ২৮১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২২

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকীঃ

আর মাত্র কয়েক দিন বাকি ঈদুল ফিতরে। তাই কাপড় সেলাইয়ের অর্ডার বন্ধ। একজন হতদরিদ্র ভুক্তভোগী এ প্রতিনিধিকে জানান। তার মেয়ের জন্য ৬ শ টাকা দিয়ে একটি থ্রিপিস কিনেছেন কিন্তু কোন টেইলার্স অর্ডার নিতে রাজি নয়। একজন দোকানদার রাজি হলেও তাকে এক হাজার টাকা দিতে তিনি বাধ্য হয়েছেন।

টেলাইলাস মাস্টার নজির এ প্রতিনিধিকে জানান , যে অর্ডার বেশি হওয়ায়সে তুলনায় কর্মচারী কম থাকায় অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কর্মচারী সং গ্রহ করতে হয়েছে এরপর তাদেরকে অতিরিক্ত পয়সাও ওভার টাইম দিতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই,ভুক্তভোগী দের কাছ থেকে বেশি টাকা নিতে বাধ্য হচ্ছে টেইলার্স মালিকগণ।

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার ছোট বড় সকল টেইলার্স মালিক ও কর্মচারী মহাব্যস্ততার সাথে দিন অতিবাহিত করছেন। ইতিপূর্বে বেশিরভাগ টেইলার্স দোকান মালিকরা তাদের অর্ডার বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে বিপাকে পড়ছে হতদরিদ্র মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়। কোন রকমে অর্থকরী জোগাড় করে সন্তানদের জন্য কাপড় কিনে ছিলেন। কিন্তু টেইলার্স মাস্টার অর্ডার না নেয়ার কারণে বিমুখ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। গ্রাহকগণ হাজার অনুরোধ করার পরও তা গ্রহণ করতে পারছেন না তারা। বিরতিহীন ভাবে কাজ করে চলছে টেইলারের কারিগর গন তা অব্যাহত থাকবে চাঁদ রাত পর্যন্ত।

টেইলাস মাস্টার সোহাগ জানান অনেক কারিগর কঠোর পরিশ্রম করার ফলে অসুস্থ হয়ে পরলে ও তাদের ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না কাজের এত চাপ যে অসুস্থতা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে ।

আল আমিন বাজার তারা টেইলার্সের তারামিয়া জানান তার দোকানে ১৪ জন কর্মচারী রয়েছে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। জরুরী প্রয়োজনে ও এ মুহূর্তে তাদেরকে ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না। গত বছরের তুলনায় এবার কাজের চাপ অধিক। বিগত দুই বছর করোনা কারণে কাজ বন্ধ ছিল এইবার প্রচুর পরিমান কাজ পাওয়া গেছে। প্রচুর পরিমান কাজ থাকায় কর্মচারী মালিকদের শত কষ্ট হলেও আর্থিক ভাবে হবে লাভবান। তাই তাদের মুখে ফুটে উঠেছে হাসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category