তাপস চন্দ্র সরকার।।
সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লায়ও অনুষ্ঠিত হবে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী, নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ব্যাস পূজা মহোৎসব।
আসছে ৩, ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার তিনদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির ও ঠাকুর পাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ আয়োজনে এ মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
তিনদিনের অনুষ্ঠান সূচীর মধ্যে রয়েছে প্রথম দিন ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির প্রাঙ্গণে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আরতী কীর্তন ও শুভ অধিবাস। দ্বিতীয় দিন ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টা হতে যথাক্রমে রাণীর বাজার রামঠাকুর আশ্রম হতে জগন্নাথ দেবের মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র্যালী ও শোভাযাত্রা এবং বিকেল ৩টায় ভুবন মঙ্গল হরিনাম সংকীর্তন, শ্রীশ্রী তুলসী আরতি, গৌর আরতি, নৃ-সিংহ আরতি শেষে ভাগতবীয় আলোচনা, মহা অভিষেক (কীর্তন সহযোগে), অভিষেক শেষে অনুকল্প মহাপ্রসাদ বিতরণ।
শেষদিন ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ১৩০তম ব্যাস পূজা মহোৎসব।ভোর সাড়ে ৪টা হতে যথাক্রমে মঙ্গল আরতি, জপযজ্ঞ, নন্দ উৎসব ও শ্রীল এ. সি ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের মহা অভিষেক ও ব্যাস পূজা, ভোগ আরতি কীর্তন শেষে উৎসবে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে মহা প্রসাদ বিতরণ। সবশেষে শ্রীল প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা। এছাড়াও শ্রীল প্রভুপাদ স্মরণ উৎসব দুপুর সাড়ে ১২টা হতে ৫টা পর্যন্ত শ্রীল প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা, ঠাকুর পাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির প্রাঙ্গণে বিকেল সাড়ে পাঁচ টায় হতে যথাক্রমে কীর্তন মেলা, সন্ধ্যায় সন্ধ্যারতি কীর্তন, নন্দ উৎসব মহিমা ও প্রভুপাদ লীলামৃত, কেক অর্পণ শেষে মহাপ্রসাদ বিতরণ।
ওই মহতী অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতনী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন কুমিল্লা জগন্নাথপুর মন্দিরের সভাপতি সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী।