• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
Headline
৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সি  শ্রীনগরে নারীর অগ্রযাত্রা শিক্ষা ও ক্যারিয়ার শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি আমাদের কৃষকরাঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি মতলব উত্তরে কলাবাগানের ঝোপ থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার নিজেকে আদর্শ ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবেঃ ড. জালাল উদ্দিন এমপি ১ দিনের সফরে মতলবে আসছেন ড.মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  মতলবে মাদকসহ আটক ফয়সাল মুন্সি শ্রীনগরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত  আসামি সহ ৪জন গ্রেফতার  শ্রীনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত মতলবে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ এর দাফন সম্পন্ন 

শ্রীনগরে ৬শ টাকার থ্রি পিস হাজার টাকা সেলাই মজুরি

Lovelu / ২৭৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২২

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকীঃ

আর মাত্র কয়েক দিন বাকি ঈদুল ফিতরে। তাই কাপড় সেলাইয়ের অর্ডার বন্ধ। একজন হতদরিদ্র ভুক্তভোগী এ প্রতিনিধিকে জানান। তার মেয়ের জন্য ৬ শ টাকা দিয়ে একটি থ্রিপিস কিনেছেন কিন্তু কোন টেইলার্স অর্ডার নিতে রাজি নয়। একজন দোকানদার রাজি হলেও তাকে এক হাজার টাকা দিতে তিনি বাধ্য হয়েছেন।

টেলাইলাস মাস্টার নজির এ প্রতিনিধিকে জানান , যে অর্ডার বেশি হওয়ায়সে তুলনায় কর্মচারী কম থাকায় অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কর্মচারী সং গ্রহ করতে হয়েছে এরপর তাদেরকে অতিরিক্ত পয়সাও ওভার টাইম দিতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই,ভুক্তভোগী দের কাছ থেকে বেশি টাকা নিতে বাধ্য হচ্ছে টেইলার্স মালিকগণ।

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার ছোট বড় সকল টেইলার্স মালিক ও কর্মচারী মহাব্যস্ততার সাথে দিন অতিবাহিত করছেন। ইতিপূর্বে বেশিরভাগ টেইলার্স দোকান মালিকরা তাদের অর্ডার বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে বিপাকে পড়ছে হতদরিদ্র মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়। কোন রকমে অর্থকরী জোগাড় করে সন্তানদের জন্য কাপড় কিনে ছিলেন। কিন্তু টেইলার্স মাস্টার অর্ডার না নেয়ার কারণে বিমুখ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। গ্রাহকগণ হাজার অনুরোধ করার পরও তা গ্রহণ করতে পারছেন না তারা। বিরতিহীন ভাবে কাজ করে চলছে টেইলারের কারিগর গন তা অব্যাহত থাকবে চাঁদ রাত পর্যন্ত।

টেইলাস মাস্টার সোহাগ জানান অনেক কারিগর কঠোর পরিশ্রম করার ফলে অসুস্থ হয়ে পরলে ও তাদের ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না কাজের এত চাপ যে অসুস্থতা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে ।

আল আমিন বাজার তারা টেইলার্সের তারামিয়া জানান তার দোকানে ১৪ জন কর্মচারী রয়েছে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। জরুরী প্রয়োজনে ও এ মুহূর্তে তাদেরকে ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না। গত বছরের তুলনায় এবার কাজের চাপ অধিক। বিগত দুই বছর করোনা কারণে কাজ বন্ধ ছিল এইবার প্রচুর পরিমান কাজ পাওয়া গেছে। প্রচুর পরিমান কাজ থাকায় কর্মচারী মালিকদের শত কষ্ট হলেও আর্থিক ভাবে হবে লাভবান। তাই তাদের মুখে ফুটে উঠেছে হাসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category