• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
Headline
রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লার অফিসিয়াল ক্লাব গভর্নর ভিজিট অনুষ্ঠিত ত্রিশালে ইত্তেফাকুল উলামার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন, সদস্য-দায়িত্বশীলদের উপস্থিতির আহ্বান দীর্ঘদিন মামলার জটিলতা শেষ মালিককে জমির দখল বুঝিয়ে দিলেন আদালত গম্বুজ-মিনারে মোগল স্থাপত্য, চার শতক ধরে দাঁড়িয়ে সেকান্দরনগর মসজিদ কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারতীয় সীমান্ত থেকে অর্ধকোটি টাকার অবৈধ চোরাচালানী মালামাল জব্দ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করেঃ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বেনাপোলে লোহাবোঝাই ভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত, আহত ২ জন চাঁদপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মাদ্রাসাছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু মতলব উত্তরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ও কলেজ ক্যাম্পাসে ডাস্টবিন প্রদান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী

শ্রীনগরে ৬শ টাকার থ্রি পিস হাজার টাকা সেলাই মজুরি

Lovelu / ২৮৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২২

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকীঃ

আর মাত্র কয়েক দিন বাকি ঈদুল ফিতরে। তাই কাপড় সেলাইয়ের অর্ডার বন্ধ। একজন হতদরিদ্র ভুক্তভোগী এ প্রতিনিধিকে জানান। তার মেয়ের জন্য ৬ শ টাকা দিয়ে একটি থ্রিপিস কিনেছেন কিন্তু কোন টেইলার্স অর্ডার নিতে রাজি নয়। একজন দোকানদার রাজি হলেও তাকে এক হাজার টাকা দিতে তিনি বাধ্য হয়েছেন।

টেলাইলাস মাস্টার নজির এ প্রতিনিধিকে জানান , যে অর্ডার বেশি হওয়ায়সে তুলনায় কর্মচারী কম থাকায় অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কর্মচারী সং গ্রহ করতে হয়েছে এরপর তাদেরকে অতিরিক্ত পয়সাও ওভার টাইম দিতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই,ভুক্তভোগী দের কাছ থেকে বেশি টাকা নিতে বাধ্য হচ্ছে টেইলার্স মালিকগণ।

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার ছোট বড় সকল টেইলার্স মালিক ও কর্মচারী মহাব্যস্ততার সাথে দিন অতিবাহিত করছেন। ইতিপূর্বে বেশিরভাগ টেইলার্স দোকান মালিকরা তাদের অর্ডার বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে বিপাকে পড়ছে হতদরিদ্র মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়। কোন রকমে অর্থকরী জোগাড় করে সন্তানদের জন্য কাপড় কিনে ছিলেন। কিন্তু টেইলার্স মাস্টার অর্ডার না নেয়ার কারণে বিমুখ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। গ্রাহকগণ হাজার অনুরোধ করার পরও তা গ্রহণ করতে পারছেন না তারা। বিরতিহীন ভাবে কাজ করে চলছে টেইলারের কারিগর গন তা অব্যাহত থাকবে চাঁদ রাত পর্যন্ত।

টেইলাস মাস্টার সোহাগ জানান অনেক কারিগর কঠোর পরিশ্রম করার ফলে অসুস্থ হয়ে পরলে ও তাদের ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না কাজের এত চাপ যে অসুস্থতা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে ।

আল আমিন বাজার তারা টেইলার্সের তারামিয়া জানান তার দোকানে ১৪ জন কর্মচারী রয়েছে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। জরুরী প্রয়োজনে ও এ মুহূর্তে তাদেরকে ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না। গত বছরের তুলনায় এবার কাজের চাপ অধিক। বিগত দুই বছর করোনা কারণে কাজ বন্ধ ছিল এইবার প্রচুর পরিমান কাজ পাওয়া গেছে। প্রচুর পরিমান কাজ থাকায় কর্মচারী মালিকদের শত কষ্ট হলেও আর্থিক ভাবে হবে লাভবান। তাই তাদের মুখে ফুটে উঠেছে হাসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category