• বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
Headline
মতলব উত্তরে দিবালোকে প্রাইভেটকারে বাছুর চুরির চেষ্টা! জনতার হাতে আটক ২ অপরাধমুক্ত ও মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : বশির আহমেদ  আলী আহম্মদ মিয়া বহুমুখী মহাবিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ মতলব উত্তরে অগ্নিকাণ্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাই, ৮ লক্ষাধিক  টাকার ক্ষয়ক্ষতি ভিটামিন ‘এ’ শিশুকে সুরক্ষা দেয় এবং শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি কমায়ঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সি  শ্রীনগরে নারীর অগ্রযাত্রা শিক্ষা ও ক্যারিয়ার শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি আমাদের কৃষকরাঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি মতলব উত্তরে কলাবাগানের ঝোপ থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার

মতলব উত্তরে মেশিনে ধান কাটা শতক প্রতি ৯০ টাকা নির্ধারিত

Lovelu / ১৭৭ Time View
Update : রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শতক প্রতি কম্বাইন হারভেস্টার এর মাধ্যমে শতক প্রতি ৯০ টাকা একরে ৯ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  রবিবার(২০ এপ্রিল -২০২৫) বিকাল ৪ ঘটিকায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনির সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায়  উপজেলার কৃষক প্রতিনিধি ও কম্বাইন্ড হারভেস্টার মালিকদের উপস্থিতিতে এই রেট নির্ধারণ করা হয়। 

 

জানা যায়, গত কয়েকদিন যাবত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মেশিনে অতিরিক্ত দামে ধান কাটার অভিযোগ আসছিলো।  এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা কৃষি অফিসার এর আহবানে এ সভা আয়োজন করা হয়।

 

সভায় হারভেস্টার মালিকদের পক্ষে স্বাগত বক্তব্যে মেহেদী হাসান লিটন জানান, একদিকে  মেশিনের পার্টসের দাম অত্যধিক ভাবে বৃদ্ধি এই এলাকায় সহজলভ্যতার অভাব  অন্যদিকে এই উপজেলায় সারাবছরে একমৌসুম হার্ভেস্টার দিয়ে ধান কাটার সুযোগ থাকার  ফলে আমরা ভর্তুকি মূল্যে মেশিন নিয়ে ও লাভ তো দূরের কথা  মূলধনই তুলতে পারছি  না। আমরা সঠিক সময়ে কিস্তি দিতে না পাড়ায় এখন কোম্পানি গুলো উচ্চ সুদ নির্ধারণ করেছে। আমরা এখন দিশে হারা।  তিনি আরো জানান এই এলাকায় জমির আকার ক্ষুদ্রাকৃতি ও এলোমেলো বিভিন্ন জাতের ধান রোপণ এর কারণে একই সাথে অনেক জমিতে ধান কাটতে না পারি না। ফলে  অল্প অল্প জমিতে ধান কাটায় জ্বালানী খরচ বেড়ে যায়। এছাড়া জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ওয়াপদা থেকে পানি না পাওয়ায় কৃষকরা একই সাথে ধান রোপণ করতে পারে না। ফলে আমরা কাঙ্ক্ষিত  লক্ষ্য মাত্রা পূরণে সক্ষম হই না।

এছাড়া উপস্থিত  অন্যান্য হারভেস্টার মালিকগন বলেন, আমরা কৃষকদের কাছ থেকে ১১০ টাকা শতাংশ দাবি করলেও তারা প্রকৃত জমির পরিমাণ কম দেখিয়ে আমাদের গড়ে ৭০ -৮০ টাকা শতাংশ প্রতি  ধরিয়ে দেন। একদিকে  মেশিনের পার্টসের দাম ড্রাইভার এর মজুরি বৃদ্বি একই মাঠে একই সাথে পর্যাপ্ত জমির অভাব অন্য দিকে দাম কম দেওয়ার ফলে আমরা মেশিন কিনে এখন হতাশ।

 

এদিকে কৃষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন কৃষি উদ্যোক্তা পরিষদ এর সভাপতি মো: আতাউর রহমান সরকার, সাধারণ সম্পাদক শরীফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আল মামুন,  অর্থ সম্পাদক সালাউদ্দিন খান রনি,  সাংগঠনিক রিয়াদ প্রধান, কার্যকরী সদস্য মো: সোহেল সরকার।

 

উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে সার, ঔষধ, জমির লিজ খরচ, লেবারের দাম বৃদ্ধির তুলনায় ধানের দাম বাড়ে নি।ফলে অতিরিক্ত দামে ধান কাটার রেট নির্ধারণ করলে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাবো। গতবছরকে ফলো করে আগের দামেই ধান কাটার রেট নির্ধারণ করা হোক।  আমাদের দাবি সর্বোচ্চ ৯০ টাকা শতাংশ নির্ধারণ করা হোক।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, কৃষকদের দাবি অনুযায়ী  এবছরের জন্য আগের দামেই শতাংশ প্রতি ৯০ টাকা  ধান কেটে কৃষকদের সহযোগিতা করুন। পরবর্তীতে যদি আপনাদের না পোষায় তাহলে আগামীতে আবার আলোচনা সাপেক্ষ দাম নির্ধারণ করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category