মোঃ মিরাজুর রহমান,নীলফামারী:
২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণ এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জলঢাকা উপজেলায় গন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ফারুক হাসান সিনিয়র সহ সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র গণঅধিকার পরিষদ জিওপি।
উদ্বোধক তাইজুল ইসলাম সভাপতি জলঢাকা উপজেলা শাখা।
সভাপতিত্ব করেন সোহাগ হোসাইন সহ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক গণঅধিকার পরিষদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, হানিফ খান সজিব সদস্য উচ্চতর পরিষদ জিওপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। মাসুদ মোন্নাফ সাংগঠনিক সম্পাদক রংপুর বিভাগ।ইব্রাহিম খোকন রংপুর বিভাগ জিওপি।
বিন ইয়ামিন মোল্লা সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ,এরশাদুল হক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক যুব অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি। মামনুর রশিদ সহ সভাপতি ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি।রাকিবুল ইসলাম শিশির সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্র অধিকার পরিষদ রংপুর বিভাগ, জাহাঙ্গীর আলম সভাপতি জিওপি নীলফামারী জেলা,
ওমর ফারুক মুন্না সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুব অধিকার নীলফামারী জেলা, এ কে উদার সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ নীলফামারী জেলা।
উক্ত অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় আব্দুল মতিন স্বাধীন সাধারণ সম্পাদক জিওপি জলঢাকা উপজেলা শাখা।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ কে গড়তে হলে তরুন যুবকদের নেতিত্বে আসতে হবে তাহলে বাংলাদেশের উন্নতি হবে বলে আশা করেন। তিনি আরো বলেন বাংলাদেশের সকল বিভাগে আধুনিক হাসপাতাল নির্মান করতে হবে।
তিনি বলেন,রাষ্ট্রের বেশির ভাগ সংস্কার বাস্তবায়নের পর নির্বাচনের দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কার কমিশনগুলো তাদের প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা চাই, তাদের প্রস্তাবের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা জাতির সামনে উপস্থাপন করবে। যার অধিকাংশ বাস্তবায়নের পরে তারা নির্বাচনের পথে হাঁটবে।
শুধু একটি নির্বাচনের জন্য এই গণ-অভ্যুত্থান হয়নি। রাষ্ট্র পুনর্গঠন, সংস্কার ও মেরামতের মাধ্যমে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও জন-আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য এই গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে। তাই জনগণের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ নির্মাণের রাষ্ট্র সংস্কার অনিবার্য হয়ে উঠেছে।
কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের আচরণ আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের মতো হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেন নুরুল হক। গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিতর্কিত পুলিশ প্রশাসনকে নিজের কাজে লাগিয়েছে। নির্বাচনে যাঁরা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি হয়েছেন, তাঁদের অপসারণ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের অপসারণের ফলে স্থানীয় সরকারের কোনো প্রতিনিধি নেই। এ জন্য স্থানীয় সরকারের স্থবির হয়ে পড়েছে। জনগণ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।তিনি ভারতকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন বাংলাদেশ নিয়ে অরাজকতা করলে সেভেন সিস্টারস থাকবে না।আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।