• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline
ত্রিশালের ২৩৬ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা কুমিল্লায় মা ও আট মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ: আদালতে ইমনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে ছেংগারচর বাজারে অধিকাংশ দোকান বন্ধ, সিন্ডিকেটের অভিযোগ ত্রিশালে বাসের ধাক্কায় সিএনজির দুই যাত্রী নিহত ফিডের দামে দিশেহারা, লোকসানে বন্ধ হচ্ছে ত্রিশালের পোল্ট্রি খামার সুজাতপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা মতলব উত্তর থানা পুলিশের উদ্যোগে ইসলামাবাদ ইউনিয়নে মাদক বিরোধী র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত সংবাদ প্রচারের পর  মতলব উত্তরে খাল খনন উদ্বোধন মতলব উত্তরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু থিওসোফিক্যাল সোসাইটির কুমিল্লা লজ সংস্কার কাজ পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু

হাওয়াই মিঠাই: শৈশবের এক টুকরো আনন্দ

Lovelu / ৩৭৫ Time View
Update : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩

মো:সৈকত জামান প্রিন্স,ফুলছড়ি-গাইবান্ধা:

হালকা গোলাপি ও সাদা রঙের মাকড়সার জাল। স্বাদে মিষ্টি। মুখে মিষ্টি স্বাদের আঁচড় দিয়ে মুহূর্তেই নিঃশেষ। হাওয়ার সঙ্গে এই মিঠাই নিমিষে বিলীন হয়ে যায় বলেই এর নাম ‘হাওয়াই মিঠাই’। অথচ এই খাবারটির মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যায় শৈশবের এক টুকরো আনন্দ।

‘হাওয়াই মিঠাই নেবে… হাওয়াই মিঠাই….মিষ্টি নরম গোলাপি-সাদা হাওয়াই মিঠাই…!’— মাঝ বয়সী বা বৃদ্ধ ফেরিওয়ালারা টিন-কাচের বাক্সে হাওয়াই মিঠাই নিয়ে এভাবেই হাজির হতেন। ক্লান্ত দুপুরে এ যেন এক টুকরো স্বপ্নের মতো বিষয় ছিল।

ফেরিওয়ালার ডাক শুনেই কচি-কাঁচারা হাজির হতো পুরনো প্লাস্টিক বা কাচের বোতল নিয়ে। অনেকের হাতে থাকতো লোহার টুকরো। এসব পুরনো জিনিসের বদলে দু-চারটা মিঠাই পাওয়া অনেক আনন্দের ছিল। ভাঙারি জিনিস খুঁজে না পেলে অনেকেই বড়দের কাছে বায়না ধরতো। ২৫ পয়সা থেকে ১ টাকা খরচ করলেই মিলতো কয়েক পিছ।

গ্রামের আঁকা-বাঁকা মেঠোপথ তো পটেই বিভিন্ন মেলাতেও ‘হাওয়াই মিঠাই’ পাওয়া যেত।বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে দেখা পাওয়া যায় হাওয়াই মিঠাই ফেরিওয়ালাদের। পিতল বা কাঁসার ঘণ্টার টিং টিং শব্দ তুলে শিশু-কিশোরদের দৃষ্টি কাড়ে তারা। নানা ধরনের স্লোকও বলতেন তারা। আর তাতেই হুমড়ি খেয়ে পড়তো কচি-কাঁচার দল।

যে খাবারের নামই হাওয়াই মিঠাই, তা খেয়ে পেট না ভরাটাই তো স্বাভাবিক! এটি মুখের স্বাদ মেটায় শুধু। দেখতে ক্রিকেট বলের মতো মনে হলেও নিমিষেই এটি মুখের ভেতর এসে গলে যায়। বিশেষ করে গ্রামের শিশুরা এই মিঠায়ে বেশি আনন্দ পায়। বড়রাও এর স্বাদ থেকে পিছিয়ে থাকেন না। দাম কম ও দেখতে সুন্দর হওয়ায় সবার আগ্রহ থাকে এই মিঠাইয়ের প্রতি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category