• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
Headline
ত্রিশালের ২৩৬ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা কুমিল্লায় মা ও আট মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ: আদালতে ইমনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে ছেংগারচর বাজারে অধিকাংশ দোকান বন্ধ, সিন্ডিকেটের অভিযোগ ত্রিশালে বাসের ধাক্কায় সিএনজির দুই যাত্রী নিহত ফিডের দামে দিশেহারা, লোকসানে বন্ধ হচ্ছে ত্রিশালের পোল্ট্রি খামার সুজাতপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা মতলব উত্তর থানা পুলিশের উদ্যোগে ইসলামাবাদ ইউনিয়নে মাদক বিরোধী র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত সংবাদ প্রচারের পর  মতলব উত্তরে খাল খনন উদ্বোধন মতলব উত্তরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু থিওসোফিক্যাল সোসাইটির কুমিল্লা লজ সংস্কার কাজ পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু

মতলব উত্তরে সমাজচ্যুত পরিবারের পাশে ওসি আলমগীর হোসেন 

Lovelu / ২৪৬ Time View
Update : সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুল্লুক মাঝির কান্দি গ্রামের বাসিন্দা অটোরিকশাচালক মইজ উদ্দিনের পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়ে। 

মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন রনির দৃষ্টিগোচর হলে সোমবার (১ জুলাই) সকালে অটোরিকশাচালক মইজ উদ্দিনের বাড়িতে ছুটে যান তিনি। সঙ্গে করে নিয়ে যান চাল, ডাল, তৈল সহ নানান খাদ্য সামগ্রি।

সামাজিক অপশাসনের শিকার হয়ে এক ঘরে করে রাখা এই এই পরিবারটিকে নিয়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হলে নিন্দার ঝড় উঠে। এই অন্যায়ের বিচার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়ে উঠে মতলব উত্তরের সচেতন মহল। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নেন মতলব উত্তর থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি।

 

এ বিষয়ে মইজ উদ্দিন জানান, আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াকে কেন্দ্র করে কুরবানি ঈদের আগে আমাদের সমাজের কয়েকজন মানুষ তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আমার ও আমার পরিবারের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন এবং কি আমার পরিবারকে সমাজচ্যুত কর দিয়েছিল। সমাজচ্যুত করায় মসজিদে নামাজ পড়া, বাচ্চাদের মক্তবে পড়তে নিষেধসহ কেউ আমারদের সঙ্গে কথা বললে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান করা হয়েছেছিল এবং কি সমাজের ভাগের কুরবানির একটুকরো মাংস কেউ দেয়নি। এ ঘটনায় আমি মানুষকে জানালে তারা আমাকে সমাজচ্যুত করে। মতলব উত্তর থানার ওসি সাহেব আমার বাড়িতে চাউল, ডাল, তৈল ও অন্যান্য খাবারের জিনিস পত্র নিয়ে আসেন।

 

পরে থানায় সবাইকে ডেকে নিয়ে শাসিয়েছেন। এছাড়া যাদের নামে আমি সাধারন ডায়েরি করেছি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। আমি স্যারে বিচারে খুশি হয়েছি। স্যার আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন৷ এখন আমি এবং আমার পরিবার অনেক খুশি।

 

মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন রনি জানান, সাংবাদিকের নিউজ ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এছাড়া ১ জুলাই বুধবার বৃষ্টিস্নাত পরিবেশে অসহায় ঐ পরিবারটির জন্য আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সাধ্য অনুযায়ী চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।

 

ওসি এ সময় অসহায় এই পরিবারের পাশে আছেন বলে আশ্বাস দেন এবং এই ঘটনায় জড়িতদের কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে থানায় তলব করেন। একই দিন দুপুরে থানা কম্পাউন্ডের বৈঠক খানায় উভয় পক্ষকে নিয়ে বসেন ৷ এসময় এই অপকর্ম জড়িতদের কড়া হুশিয়ারি জানিয়ে বলেন, এক ঘরে করে রাখার কোন আইন নেই। এটা অমানবিক কাজ। এই কাজে যারা জরিত তারা সভ্য জগতের মানুষ নয় জানিয়ে যাদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি আছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান। এছাড়া এই পরিবারের কোন অন্যায় জুলুম নির্যাতন হলে উনি ব্যবস্থা নিবেন জানিয়ে সকলকে মিলে মিশে থাকার নির্দেশ দেন।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category