• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
Headline
ত্রিশালের ২৩৬ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা কুমিল্লায় মা ও আট মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ: আদালতে ইমনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে ছেংগারচর বাজারে অধিকাংশ দোকান বন্ধ, সিন্ডিকেটের অভিযোগ ত্রিশালে বাসের ধাক্কায় সিএনজির দুই যাত্রী নিহত ফিডের দামে দিশেহারা, লোকসানে বন্ধ হচ্ছে ত্রিশালের পোল্ট্রি খামার সুজাতপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা মতলব উত্তর থানা পুলিশের উদ্যোগে ইসলামাবাদ ইউনিয়নে মাদক বিরোধী র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত সংবাদ প্রচারের পর  মতলব উত্তরে খাল খনন উদ্বোধন মতলব উত্তরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু থিওসোফিক্যাল সোসাইটির কুমিল্লা লজ সংস্কার কাজ পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু

খোলা আকাশের নিচে বসবাস

মতলব উত্তরে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ভেঙে যায় বাবুলের ঘর ও দোকান

Lovelu / ৩৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪

শহিদুল েইসলাম খোকনঃ :

ঘুর্ণিঝড় রেমালে সারা দেশে লন্ডভন্ড হয়ে গছে। মতলব উত্তরও এর প্রভাব পরেছে। চাঁদপুর ছিল ৯ নাম্বার মহা বিপদ সংকেত। ২৬ মে রবিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়েছে রিমালের তান্ডব। ২৭ মে সোমবার রাত ৯ টার দিকে পুরো শক্তি নিয়ে মতলব উত্তরে আঘাত আনতে শুরু করে। এই আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থান। বিশেষ করে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয় নদী উপকূলীয় এলাকায়। মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের দশানী এলাকায় মেঘনা নদীর প্রবোল জলোচ্ছ্বাসে ও বাতাসে ভেঙে যায় বাবুল সরকারের ঘরবাড়ি ও দোকান। নদীতে বিলীন হয়ে গেছে তার ঘর ও দোকান। খোলা আকাশের নিছে বসবাস করছে তার পরিবার।
নিশ্ব: হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তার পরিবার।

বাবুল সরকার জানান, আমার বাড়ি ঘর একবার নদীতে ভেঙে নিয়েছে। তারপর আবার এখানে বাড়ি করেছি। গত সোমবার রাত ৯ টার দিকে প্রবল বাতাস ও জলোচ্ছ্বাসে আবারও নদী ভেঙে নিয়ে গেছে দোকান ও ঘর। ঘরে ও দোকানে থাকা সকল মালামাল সকল কিছুই বিলীন হয়ে গেছে। কোন রকমে দৌড়ে প্রানে রক্ষা পেয়েছি। আমার ৭/৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব। খোলা আকাশের নিছে বসবাস করছি। এখন সরকারের কাছে আমার দাবী, আমাকে যেন কিছু ক্ষতিপূরন দেয়।

স্থানীয় সোহরাব সরকার জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমালে বাবুল সরকারের ঘরবাড়ি দোকান, পায়েল সরকার, রাজিব, লিয়াকত আলী, আব্দুর রহমান ও নূর উদ্দিনের দোকান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তারা এখন অসহায়। তাদের বিকল্প কোন কর্মসংস্থান নেই।

এছাড়াও আল্লাহর দানসহ ৪টি বালু জাহাজ, বিভিন্ন বসতবাড়ি, দোকানপাট, গাছপালা, কৃষি ফসল, পুকুরের মাছসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category