• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ গড়ে তোলেঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি চাঁদপুর-২ আসন পূর্ণ গঠনে ১১ দফা পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন বিআরপি প্রার্থী ফয়জুন্নুর আখন বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষার প্রশিক্ষণ সেন্টার খোলা হবে : ইঞ্জি. শাহনাজ শারমিন  কলাকান্দা ইউনিয়নে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল  মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে উদগ্রীব হয়ে আছে: ড.জালাল উদ্দিন  সংবর্ধনার মাধ্যমে অনুপ্রেরণা নিয়ে প্রকৃত মানুষ হয়ে দেশের কল্যাণে সকলকে কাজ করতে হবেঃ ডা. দেওয়ান মোঃ ইমদাদুল হক মানিক খেলাধুলা সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোর অন্যতম মাধ্যমঃ আলমগীর সরকার মেজর জিয়াকে ৭১ রণাঙ্গনে যুদ্ধে যেতে সাহস যুগিয়ে ছিলেন খালেদা- ডাঃ জাহিদ মতলবে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর আয়োজনে এসএসসি ৯৫ ব্যাচের ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন শ্রীনগরে মধ্য বাঘড়া আলহেরা আইডিয়াল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

নিহতের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারী

ওমরা শেষে ফেরার পথে না ফেরার দেশে মতলব উত্তরের লিটন মিয়া

Lovelu / ৬৮৯ Time View
Update : রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওমরাহ পালন শেষে কর্মস্থল সৌদি আরবে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার প্রবাসী মো. লিটন মিয়া ( ৩০)।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরে নিহত লিটন মিয়ার বাড়িতে বইছে শোকের মাতম।
নিহত মো. লিটন মিয়া উপজেলার গজরা ইউনিয়নের রাজুরকান্দি গ্রামের চাঁন মিয়া সরকারের একমাত্র পুত্র ।

জীবিকার অন্বেষণে ৬ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান মো. লিটন মিয়া। লিটন মিয়া সৌদি আরব দাম্মাম আল যুবায়েল শহরে একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তিনি ১ ভাই ও ৩ বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন।

নিহত লিটন মিয়ার বাবা চাঁন মিয়া সরকার জানান, জায়গা জমি বিক্রি করে ৬ বছর আগে সৌদি আরবে পাঠাই আমার সন্তানকে। এ বছর ঈদের পরে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাদের। কিন্তু ওমরাহ পালন শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে আমার সন্তানের। গত শনিবার তার এক বন্ধু ফোন করে এ খবর জানিয়েছেন। এ শোকের বার আমি সইবো কিভাবে। আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন আমার সন্তান।
নিহত লিটন মিয়ার মা নিলুফা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, গত শনিবার ইফতারের আগ মুহূর্তে¡ আমার লিটনের মৃত্যুর খবর আমি জানতে পেরেছি। তবে সে কথা আমার বিশ্বাস হয়নি। কিছুদিন আগেও ভিডিও কলে সে বলেছিল ঈদে সবার জন্য কেনাকাটা করতে টাকা পাঠাবে। কিন্তু তার আগেই আল্লাহ তাকে না ফেরার দেশে নিয়ে গেল। আমার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।

লিটন মিয়ার ছোট ভগ্নিপতি আল-আমীন জানান, সৌদি আরবে আমাদের লোক আছে। নিহত লিটন মিয়ার মরদেহ একটি সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ বাংলাদেশে আনার চেষ্টা চলছে।

নিহত লিটন মিয়ার মরদেহ দেশে আনার ক্ষেত্রে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে কথা বলে সৌদি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন গজরা ইউপির চেয়ারম্যান শহিদ উল্লাহ প্রধান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category