• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
Headline
মতলব উত্তরের মেঘনা পাড়ে রাসেল ভাইপার কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে বাড়িতে যুবক কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল ডিবেট ক্লাবের ‘ডিবেটার হান্ট ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন প্রতি পরিবার থেকে আমরা মাদকে না বলি, তাহলে মাদক নিমূল হয়ে যাবে: ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  শ্রীনগরে উৎসব মুখর পরিবেশে  বাংলা নববর্ষ উদযাপন মতলব দক্ষিণে প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উদযাপিত মতলব উত্তরে উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষ উদযাপন  মানুষ যেন সঠিক চিকিৎসা সেবা পায় সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশী  গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার… ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না  – ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  মতলব উত্তরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না—ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি 

নিহতের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারী

ওমরা শেষে ফেরার পথে না ফেরার দেশে মতলব উত্তরের লিটন মিয়া

Lovelu / ৭৪৪ Time View
Update : রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওমরাহ পালন শেষে কর্মস্থল সৌদি আরবে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার প্রবাসী মো. লিটন মিয়া ( ৩০)।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরে নিহত লিটন মিয়ার বাড়িতে বইছে শোকের মাতম।
নিহত মো. লিটন মিয়া উপজেলার গজরা ইউনিয়নের রাজুরকান্দি গ্রামের চাঁন মিয়া সরকারের একমাত্র পুত্র ।

জীবিকার অন্বেষণে ৬ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান মো. লিটন মিয়া। লিটন মিয়া সৌদি আরব দাম্মাম আল যুবায়েল শহরে একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তিনি ১ ভাই ও ৩ বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন।

নিহত লিটন মিয়ার বাবা চাঁন মিয়া সরকার জানান, জায়গা জমি বিক্রি করে ৬ বছর আগে সৌদি আরবে পাঠাই আমার সন্তানকে। এ বছর ঈদের পরে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাদের। কিন্তু ওমরাহ পালন শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে আমার সন্তানের। গত শনিবার তার এক বন্ধু ফোন করে এ খবর জানিয়েছেন। এ শোকের বার আমি সইবো কিভাবে। আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন আমার সন্তান।
নিহত লিটন মিয়ার মা নিলুফা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, গত শনিবার ইফতারের আগ মুহূর্তে¡ আমার লিটনের মৃত্যুর খবর আমি জানতে পেরেছি। তবে সে কথা আমার বিশ্বাস হয়নি। কিছুদিন আগেও ভিডিও কলে সে বলেছিল ঈদে সবার জন্য কেনাকাটা করতে টাকা পাঠাবে। কিন্তু তার আগেই আল্লাহ তাকে না ফেরার দেশে নিয়ে গেল। আমার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।

লিটন মিয়ার ছোট ভগ্নিপতি আল-আমীন জানান, সৌদি আরবে আমাদের লোক আছে। নিহত লিটন মিয়ার মরদেহ একটি সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ বাংলাদেশে আনার চেষ্টা চলছে।

নিহত লিটন মিয়ার মরদেহ দেশে আনার ক্ষেত্রে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে কথা বলে সৌদি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন গজরা ইউপির চেয়ারম্যান শহিদ উল্লাহ প্রধান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category