জি,এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ :
চোখ ধাঁধানো কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম রঙে সেজেছে প্রকৃতি। কৃষ্ণচূড়ার রঙে রক্তিম ফুলে সেজেছে সিরাজগঞ্জের পথ প্রান্তর। জৈষ্ঠের রৌদ্রের প্রখর উত্তাপ গায়ে মেখে রাস্তার দু’পাশে অগনিত কৃষ্ণচূড়ার গাছে ফুলের সমারোহ রঙ ছড়িয়ে হয়েছে নানা বর্ণময়। টুকটুকে লাল, কমলা, হলুদ ফুল এবং উজ্জ্বল সবুজ পাতা দিয়ে নতুন রূপে প্রকৃতির অপরুপ রূপে সেজেছে সিরাজগঞ্জ। যা দূর থেকেও পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
সিরাজগঞ্জের ৯ উপজেলার প্রায় প্রতিটি এলাকার সড়ক,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ নানা স্থানে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফুটেছে। অনেক বাড়িতেও আবার কৃষ্ণচূড়ার গাছে ফুল ফুটেছে।
জানা গেছে, কৃষ্ণচূড়ার কাঠ খুব একটা দামি না হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে এ গাছের চারা রোপণে আগ্রহ কম। তবে শখের কারণে এর কদর আছে। এই কৃষ্ণচূড়া ফুল লাল ও হলুদ রঙের হয়ে থাকে। লাল রঙের ফুলকে কৃষ্ণচূড়া বলা হয়। এপ্রিল মাস থেকে এই ফুল ফোটা শুরু হয়। বছরের অন্যান্য সময় এই ফুল সচারচার চোখে না পড়লেও এপ্রিল-জুন মাসে যখনি গাছে নতুন পাতা বা ফুল ফোটা শুরু করে। পথচারিদের নজর কাড়ে মনোমুগ্ধকর এই কৃষ্ণচূড়া। পথের মধ্যে লাল ও হলুদ কৃষ্ণচূড়া দেখলেই মনে হয় একটু থেমে নেই।জেলার প্রতিটি গ্রামে এখন কৃষ্ণচূড়ার শাখায় শাখায় লাল, হলুদ ফুলের সমারোহ।

কৃষ্ণচূড়া গাছ খুব একটা বড় হয় না। তবে এর ডালপালা পাইকোর গাছের মতো অনেক জায়গা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। পরিবেশের সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষ কৃষ্ণচূড়া গাছ বর্তমানে রাস্তার দুই ধারে এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি হাসপাতাল ও বাড়ির আঙিনায় শোভা পাচ্ছে। অনেক দূর থেকে দেখলে মনে হয় গাছে গাছে যেন আগুন জ্বলছে।
হাটিকুমরুল – বনপাড়া মহাসড়ক Rab -১২ হেডকোয়ার্টারের সামনে রাস্তার পাশে সারিবদ্ধ কৃষ্ণচূড়ার গাছের ছায়ায় বসা এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, প্রচন্ড রোদে এ গাছের ছায়ায় বসে কাজ শেষে বসে ক্লান্তি দুর করছি । ধূলা-বালি ও গ্রীষ্মের খরতাপে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় এই কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো ।
বোয়ালিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুস ছালাম বলেন,জৈষ্ঠের এই খরতাপে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো। রক্তিম লালে প্রকৃতিকেও যেন অনেক অপরূপ দেখায়।