কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
মাহমুদা আক্তার মুন্নি। কিন্ডারগার্টেন স্কুলে সামান্য বেতনে শিক্ষকতা করতেন তিনি। বর্তমানে অ্যাভাসকুলার নেক্রসিস (এভিএন) রোগে ভুগছেন। হিপ জয়েন্ট দু’টো ড্যামেজ হওয়ায় বাঁচা-মরার সন্ধিক্ষণে এখন!
ডাক্তার বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হিপ জয়েন্ট দু’টো প্রতিস্থাপন করলে উনাকে বাঁচানো সম্ভব মুন্নিকে। এজন্য গুনতে হবে ১০-১২ লক্ষ টাকা। বর্তমানে তিনি ঢাকার অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মুন্নি কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারীর বালাবাড়িরহাট এলাকাধীন শিকারপাড়া গ্রামের মোঃ মঞ্জু মিয়ার কন্যা। তার বাবা পেশায় একজন রিকশা চালক, স্বামী বেকার। রিকশা চালক বাবার পক্ষে এতো টাকা যোগান দেওয়া সম্ভব নয় বিধায় তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন।
ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া একমাত্র মেয়ে মিথিলার জন্য তিনি বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন।
কয়েকমাস আগেও যার দেখানো পথে ছোটো ছোটো বাচ্চারা শিক্ষার আলো পেতো– শিক্ষকতার মতো মহান পেশার সেই মানুষটি এখন মৃত্যু পথযাত্রী!
মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে মুন্নি আপা সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসুক, বাচ্চাদের কল-কাকলীতে তার দৈনিন্দন জীবন আনন্দ ভরে উঠুক, এটাই কামনা করি।
মুন্নিকে বাঁচাতে সবাইকে সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন মুন্নির বাবা মঞ্জু মিয়া।
সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম–
A/C Name: মোঃ মঞ্জু মিয়া (মুন্নির বাবা)
A/C NO: 5204301028352
সোনালী ব্যাংক, চিলমারী শাখা, কুড়িগ্রাম।
বিকাশ-১: 01401768174 (মঞ্জু মিয়া, মুন্নির বাবা)
বিকাশ-২: 01740139851 (মমিনুল, মুন্নির স্বামী)
বিকাশ-৩: 01705859412 (মুন্নি)
নগদ: 01705859412 (মুন্নি)