• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
Headline
ইলিশের রাজধানী চাঁদপুরের নদীর বুকে সুপ্রভাত মঞ্চের স্মরণীয় আনন্দযাত্রা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ালে একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভমঃ খায়রুল হাসান বেনু ত্রিশালে অস্বাভাবিক লোডশেডিং, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত দিনাজপুর বীরগঞ্জে বিপর্ণা নামীয় এক কিশোরীর রহস্য জনক ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ধর্মসাগর পাড় সুপ্রভাত মঞ্চের আনন্দ ভ্রমণ: ইলিশের রাজধানী চাঁদপুরের মোহনায় মিলবে গান, আড্ডা ও আনন্দ প্রবীণ রাজনীতিবিদ তপন বকসীর মৃত্যুতে চান্দিনায় শোকের ছায়া ত্রিশালে চুরি করতে গিয়ে ময়লার স্তূপে পড়ে আটক যুবক মতলবে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান  ইত্তেফাকুল উলামা ত্রিশালের আংশিক কমিটি ঘোষণা

মতলবে নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে গৃহবধূর মৃত্যু

Lovelu / ৩৬৩ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল বাহেরচর এলাকায় নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি মোহনপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল মিয়াজির স্ত্রী।

 

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো এশার নামাজ আদায় করছিলেন ফাতেমা বেগম। নামাজ শেষ করার সময় ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর বাম দিকে ফিরতেই হঠাৎ একটি গোখরা সাপ তাকে কোমরে দংশন করে এবং সঙ্গে সঙ্গে পাশে থাকা ঝোপে লুকিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নৌপথে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

স্থানীয়রা আরও জানান, প্রায় ১০/১২ দিন আগে ফাতেমা বেগমের বসতঘরের ভেতর থেকে একটি গোখরা সাপ মারা হয়েছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুর্গম চরাঞ্চলে সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

এদিকে স্থানীয় মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঝোপ থেকে বিষাক্ত গোখরা সাপটিকে বের করে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

 

ফাতেমা বেগমের স্বামী আরিফুল মিয়াজি জানান, আমরা দুর্গম চরাঞ্চলে বসবাস করি, এখানে কোনো হাসপাতাল বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। নদীপথে অনেক কষ্টে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিতে হয়েছিল। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।

 

মৃত ফাতেমা বেগম দুই ছেলে ও চার মেয়ের জননী ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category