• বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
Headline
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা পৌঁছে দিতে হবেঃ চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মতলব উত্তরে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তনের জন্য ড্রেজার স্থাপন করায় ৪০ হাজার টাকা অর্থদন্ড মতলব উত্তরে দিবালোকে প্রাইভেটকারে বাছুর চুরির চেষ্টা! জনতার হাতে আটক ২ অপরাধমুক্ত ও মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : বশির আহমেদ  আলী আহম্মদ মিয়া বহুমুখী মহাবিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ মতলব উত্তরে অগ্নিকাণ্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাই, ৮ লক্ষাধিক  টাকার ক্ষয়ক্ষতি ভিটামিন ‘এ’ শিশুকে সুরক্ষা দেয় এবং শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি কমায়ঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সি  শ্রীনগরে নারীর অগ্রযাত্রা শিক্ষা ও ক্যারিয়ার শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

মতলবে নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে গৃহবধূর মৃত্যু

Lovelu / ৩৩২ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল বাহেরচর এলাকায় নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি মোহনপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল মিয়াজির স্ত্রী।

 

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো এশার নামাজ আদায় করছিলেন ফাতেমা বেগম। নামাজ শেষ করার সময় ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর বাম দিকে ফিরতেই হঠাৎ একটি গোখরা সাপ তাকে কোমরে দংশন করে এবং সঙ্গে সঙ্গে পাশে থাকা ঝোপে লুকিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নৌপথে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

স্থানীয়রা আরও জানান, প্রায় ১০/১২ দিন আগে ফাতেমা বেগমের বসতঘরের ভেতর থেকে একটি গোখরা সাপ মারা হয়েছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুর্গম চরাঞ্চলে সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

এদিকে স্থানীয় মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঝোপ থেকে বিষাক্ত গোখরা সাপটিকে বের করে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

 

ফাতেমা বেগমের স্বামী আরিফুল মিয়াজি জানান, আমরা দুর্গম চরাঞ্চলে বসবাস করি, এখানে কোনো হাসপাতাল বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। নদীপথে অনেক কষ্টে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিতে হয়েছিল। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।

 

মৃত ফাতেমা বেগম দুই ছেলে ও চার মেয়ের জননী ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category