• শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline
চাঁদপুরে তারেক রহমানের জনসভায় মতলব উত্তরের নেতাকর্মীদের লঞ্চযাত্রা ও অংশগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবেঃ প্রধানমন্ত্রী  ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হলেন আব্দুল আজিজ কোরবানির পশুর কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী  মতলব উত্তরের মেঘনা পাড়ে রাসেল ভাইপার কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে বাড়িতে যুবক কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল ডিবেট ক্লাবের ‘ডিবেটার হান্ট ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন প্রতি পরিবার থেকে আমরা মাদকে না বলি, তাহলে মাদক নিমূল হয়ে যাবে: ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  শ্রীনগরে উৎসব মুখর পরিবেশে  বাংলা নববর্ষ উদযাপন মতলব দক্ষিণে প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উদযাপিত মতলব উত্তরে উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষ উদযাপন 

মতলবে নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে গৃহবধূর মৃত্যু

Lovelu / ৩০৬ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল বাহেরচর এলাকায় নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি মোহনপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল মিয়াজির স্ত্রী।

 

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো এশার নামাজ আদায় করছিলেন ফাতেমা বেগম। নামাজ শেষ করার সময় ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর বাম দিকে ফিরতেই হঠাৎ একটি গোখরা সাপ তাকে কোমরে দংশন করে এবং সঙ্গে সঙ্গে পাশে থাকা ঝোপে লুকিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নৌপথে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

স্থানীয়রা আরও জানান, প্রায় ১০/১২ দিন আগে ফাতেমা বেগমের বসতঘরের ভেতর থেকে একটি গোখরা সাপ মারা হয়েছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুর্গম চরাঞ্চলে সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

এদিকে স্থানীয় মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঝোপ থেকে বিষাক্ত গোখরা সাপটিকে বের করে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

 

ফাতেমা বেগমের স্বামী আরিফুল মিয়াজি জানান, আমরা দুর্গম চরাঞ্চলে বসবাস করি, এখানে কোনো হাসপাতাল বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। নদীপথে অনেক কষ্টে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিতে হয়েছিল। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।

 

মৃত ফাতেমা বেগম দুই ছেলে ও চার মেয়ের জননী ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category