• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
Headline
মতলব উত্তরে রাস্তার পাশে  লাশ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য মতলব উত্তরে পাসের হার এসএসসিতে ৫৮.৫০, ভোকেশনাল ৬৬.৬৭ ও দাখিলে ৩৯.৬১ মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে খাল দখলে  জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে দুই গ্রামের মানুষ কুমিল্লা ধর্মসাগর পাড় সুপ্রভাত মঞ্চে নতুন নিয়ম, সপ্তাহে চারদিন হবে গানের আসর শ্রীনগরে আল-আমিন বাজারে তীব্র যানজট চরম ভোগান্তিতে ক্রেতা ও পথচারী নিজ অর্থায়নে সড়ক সংস্কার করে প্রশংসায় মেম্বার প্রার্থী আব্দুস সালাম বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ: আহত অন্তত ৩০ ​ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রূপগঞ্জে বিএনপির আনন্দ শোভাযাত্রা প্রকৃতির কোলে সংস্কৃতির মিলনমেলায় প্রতিদিনই ইতিহাস লিখছে কুমিল্লার সুপ্রভাত মঞ্চ ত্রিশালে পরিচ্ছন্নতা সচেতনতায় ‘ক্লিন ত্রিশাল-ক্লিন ময়মনসিংহ’ ক্যাম্পেইন

খোলা আকাশের নিচে বসবাস

মতলব উত্তরে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ভেঙে যায় বাবুলের ঘর ও দোকান

Lovelu / ৩৪৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪

শহিদুল েইসলাম খোকনঃ :

ঘুর্ণিঝড় রেমালে সারা দেশে লন্ডভন্ড হয়ে গছে। মতলব উত্তরও এর প্রভাব পরেছে। চাঁদপুর ছিল ৯ নাম্বার মহা বিপদ সংকেত। ২৬ মে রবিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়েছে রিমালের তান্ডব। ২৭ মে সোমবার রাত ৯ টার দিকে পুরো শক্তি নিয়ে মতলব উত্তরে আঘাত আনতে শুরু করে। এই আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থান। বিশেষ করে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয় নদী উপকূলীয় এলাকায়। মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের দশানী এলাকায় মেঘনা নদীর প্রবোল জলোচ্ছ্বাসে ও বাতাসে ভেঙে যায় বাবুল সরকারের ঘরবাড়ি ও দোকান। নদীতে বিলীন হয়ে গেছে তার ঘর ও দোকান। খোলা আকাশের নিছে বসবাস করছে তার পরিবার।
নিশ্ব: হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তার পরিবার।

বাবুল সরকার জানান, আমার বাড়ি ঘর একবার নদীতে ভেঙে নিয়েছে। তারপর আবার এখানে বাড়ি করেছি। গত সোমবার রাত ৯ টার দিকে প্রবল বাতাস ও জলোচ্ছ্বাসে আবারও নদী ভেঙে নিয়ে গেছে দোকান ও ঘর। ঘরে ও দোকানে থাকা সকল মালামাল সকল কিছুই বিলীন হয়ে গেছে। কোন রকমে দৌড়ে প্রানে রক্ষা পেয়েছি। আমার ৭/৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব। খোলা আকাশের নিছে বসবাস করছি। এখন সরকারের কাছে আমার দাবী, আমাকে যেন কিছু ক্ষতিপূরন দেয়।

স্থানীয় সোহরাব সরকার জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমালে বাবুল সরকারের ঘরবাড়ি দোকান, পায়েল সরকার, রাজিব, লিয়াকত আলী, আব্দুর রহমান ও নূর উদ্দিনের দোকান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তারা এখন অসহায়। তাদের বিকল্প কোন কর্মসংস্থান নেই।

এছাড়াও আল্লাহর দানসহ ৪টি বালু জাহাজ, বিভিন্ন বসতবাড়ি, দোকানপাট, গাছপালা, কৃষি ফসল, পুকুরের মাছসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category