• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
Headline
সাংবাদিক কামরুল হাসান রাব্বি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত শিকারীকান্দি স:প্রা: বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন সাইফুল ইসলাম কলাকান্দা ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র দাস ও গ্রাম-পুলিশ রীনা বেগম ১ম স্থান অর্জন ত্রিশালে অজ্ঞাত ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল পথচারীর কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা।। আসামির যাবজ্জীবন মতলব উত্তরে বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ব্যারিস্টার ওবাইদুর রহমান টিপুর রোগমুক্তি কামনায় সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের দোয়া ও মিলাদ কুমিল্লা নগরীতে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত।। আতঙ্কে পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা শ্রীনগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ওসি তদন্তসহ আহত ১০ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে….হাজী মোশারফ হোসাইন

কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা।। আসামির যাবজ্জীবন

Lovelu / ৫৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাদিয়া সুলতানা ইমু (১০) কে ধর্ষণের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে মো. জসিম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আব্দুল হান্নান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জসিম উদ্দিন বরুড়া উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মৃত মনোহর আলীর ছেলে। আদালত সূত্রে ও মামলার নথি থেকে জানা যায়- ঘটনার দুই দিন আগে নাদিয়া সুলতানা ইমু তার মায়ের খালা বাড়ি বরুড়া উপজেলার গজারিয়ায় বেড়াতে যায়। ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে নাদিয়াকে তাজু মিয়ার মুদি দোকানে পাঠানো হয়। কিন্তু দোকান থেকে বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করতে থাকেন। পরে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বরুড়া উপজেলার রাড়ী গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির উত্তর পাশে আব্দুল লতিফের বাঁশ বাগানে নাদিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। এ ঘটনায় নিহতের মা মঞ্জুমা বেগম (৪০) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বরুড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (২) ধারায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ মো. জসিম উদ্দিনকে শনাক্ত করে আটক করে। পরে তদন্তে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পর তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে এলে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায়ে তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category