• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
Headline
নিজেকে আদর্শ ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবেঃ ড. জালাল উদ্দিন এমপি ১ দিনের সফরে মতলবে আসছেন ড.মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  মতলবে মাদকসহ আটক ফয়সাল মুন্সি শ্রীনগরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত  আসামি সহ ৪জন গ্রেফতার  শ্রীনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত মতলবে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ এর দাফন সম্পন্ন  মতলবে মাদক-বাল্যবিবাহ-কিশোর গ্যাং বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত  বিএনপি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছেঃ ইঞ্জিনিয়ার শাহানাজ শারমিন চাঁদপুরে তারেক রহমানের জনসভায় মতলব উত্তরের নেতাকর্মীদের লঞ্চযাত্রা ও অংশগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবেঃ প্রধানমন্ত্রী 

দুইটি বোস্টার পাম্পে পানি উত্তোলনের টেস্ট,

মেঘনা – ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে পানি পৌছেনি জমিতেঃচলছে ক্যানেল সংস্কারের কাজ

Lovelu / ১৫৭ Time View
Update : বুধবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৫

মাহবুব আলম লাভলুঃ

২০ জানুয়ারি- ২০২৫  মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের কালীপুর ও উদামদী পাম্প হাউজে পানি সেচের  উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর এখনও পানি পৌছেনি কৃষকের জমিতে।পাম্পের মাধ্যমে যে পরিমান পানি ছাড়ছে,তা থাকছে মূল ক্যানেলে সীমাবদ্ধ।ক্যানেল সংস্কার কাজ চলমান থাকায় প্রকল্পে ভিতরের সেচ ক্যানেলে পানি আসতে পারছে না বলে কৃষকের অভিযোগ। অধিকাংশ জমি প্রস্তুত থাকলেও পানির অভাবে বোরো ধানের চারা রোপন করতে পারছে না।বীজতলার বয়স বাড়তে থাকলেও রোপন করতে না পারায় কৃষকরা উৎপাদনে বিপর্যের আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে এখন চালু হয়নি দুইটি বোস্টার পাম্পে মাধ্যমে পানি উত্তোলন।তবে এ পাম্পের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছেন মঙ্গলবার(২৮জানুয়ারি-২০২৫) পানি উত্তোলন করেছেন অথবা পানি উত্তোলনে টেস্ট করেছে।এ বোস্টার পাম্পে আওতায় সেচ সুবিধা পায় কলাকান্দা,মোহনপুর,এখলাশপুর ও গজরা ইউনিয়নের বেশি ভাগ জমি।এখলাশপুর বোস্টর পাম্পের আওতায় বড়(বেড়ি বাধেঁর সাথে)ক্যানেলসহ কয়েকটি সেচ ক্যানেলের সংস্কার কাজ চলছে।মঙ্গলবার(২৮জানুয়ারি-২০২৫)বিকালে দেখা যায় পাম্পের রিজার্ভে পানি আসছে।মঙ্গলবার(২৮জানুয়ারি-২০২৫)সেচ ক্যানেলে পানি সেচ হয়নি।মঙ্গলবার ডুগবি বোস্টর পাম্প ১/২ ঘন্টা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষকরা।

মঙ্গলবার(২৮জানুয়ারি)মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ভিতরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশি বোরো চাষের আবাদের জন্য প্রস্তুত কৃষকরা,পানি জমিতে না পাওয়ায় বোরো ধানের চারা রোপন করতে পারছে না। সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন ক্যানেলে এখনও সংস্কার কাজ চলছে।ক্যানেল পানি শূণ্য।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানা যায়, এ উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৯হাজার ৯শত ৮৪ হেক্টর ও উৎপাদন ৪৩ হাজার ১শত ৪৬ মে.টন। বীজতলা করার উপযুক্ত সময়  ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর। ধানের চারার বয়স ২১ দিন থেকে ৪০ দিনের মধ্যে জমিতে রোপন করতে হবে। ৪০ দিনের চেয়ে চারার বয়স বাড়তে থাকলে ক্রমেই উৎপাদন কমতে থাকবে। কৃষকরা এখন পর্যন্ত সেচ সুবিধা না পাওয়া বোরো ধানের চারা রোপন করতে পারছে না। তাই  উৎপাদনে বিপর্যের আশঙ্কা রয়েছে।

সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কৃষক জহিরুল ইসলাম জানান, আমার এলাকায় ক্যানেলের কাজ হচ্ছে। আমাদের জমি প্রস্তুত করে রেখেছি। পানির জন্য চারা রোপন করতে পারছি না। চারার বয়স বেশি হয়ে যাচ্ছে।চারা বয়স বেশি হলে ফলন ভালো হয় না।

কলাকান্দা কলাকান্দা ইউনিয়নের কৃষক বোরহান উদ্দিন মোল্লা জানান, দশানী এলাকায় বেড়ি বাধেঁ সাথের ক্যানেলে কাজ চলছে। কবে পানি পাবো বলতে পারছি না।

সরষিা চাষি আল মামুন জানান, উচু জমিতে সরিষার চাষ করেছি। এখানে সেচের পানি আসে না।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিস সূ্ত্রে জানা যায়,বুধবার(২৯ জানুয়ারি)সেচের পানি কোথায় মিলেছে এবং কোথায় মিলেনি।তথ্যমতে ষাটনল ইউনিয়নের বেশি ভাগ এলাকায় পানি গিয়েছে এবং কিছু এলাকায় যায়নি।সাদুল্লাপুর ইউনিয়নে পানি আসতেছে।বাগানবাড়ি ইউনিয়নে পানি আসে নাই।দূর্গাপুর ইউনিয়নে একটি ব্লকে অল্প পরিমান পানি রয়েছে।তবে সামান্য।ইসলামাবাদ ইউনিয়নে পানি আসে নাই।সুলতানাবাদ ইউনিয়নে পানি আসে নাই।ফতেপুর পূব ইউনিয়নে একটি ব্লকে পানি আসছে।ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নে ক্যানেলে অল্প পরিমান পানি রয়েছে।ফরাজিকান্দি ইউনিয়নে পানি আসতেছে।জহিরাবাদ ইউনিয়নে মেইন নালায় পানি কম থাকায় পানি জমিতে যাচ্ছে না। এখলাশপুর ইউনিয়নে বড় নালায় পানি আছে ভিতরের ক্যানেলে পানি যায় না।মোহনপুর ইউনিয়নে পানি আসতেছে।কলাকান্দা ইউনিয়নে পানি আসে নাই।গজরা ইউনিয়নে পানি আসতেছে।ছেংগারচর পৌরসভায় পানি আসতেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী জানান,বোরো মৌসুমে (সঠিক সময়ে) সেচ ক্যানালে এখন পর্যন্ত  পানি পাচ্ছে না বলে কৃষকরা ফোন যানাচ্ছে।তাদের চারার বয়স বেশি হয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা বোরো ধানের চারা রোপন করতে পারছে না। এদিকে ধানে চারার তলার বয়স বেশি হয়ে যাচ্ছে। সঠিক সময়ে চারা রোপন করতে না পারলে বোরো মৌসুমের লক্ষ্য মাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন,বোর মৌসুমের জন্য এখনও কৃষক পানি পায়নি। সংস্কার কাজ চলমান থাকায় পানি দিতে পারছে বলে জানতে পেরেছি। আমি এ ব্যাপারে জেলায় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথ কথা বলবো।

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীর মোবাইল নাম্বারে কল করার পর রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category