• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমিল্লায় মা ও আট মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ: আদালতে ইমনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি তেলের দাম বৃদ্ধির খবরে ছেংগারচর বাজারে অধিকাংশ দোকান বন্ধ, সিন্ডিকেটের অভিযোগ ত্রিশালে বাসের ধাক্কায় সিএনজির দুই যাত্রী নিহত ফিডের দামে দিশেহারা, লোকসানে বন্ধ হচ্ছে ত্রিশালের পোল্ট্রি খামার সুজাতপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা মতলব উত্তর থানা পুলিশের উদ্যোগে ইসলামাবাদ ইউনিয়নে মাদক বিরোধী র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত সংবাদ প্রচারের পর  মতলব উত্তরে খাল খনন উদ্বোধন মতলব উত্তরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু থিওসোফিক্যাল সোসাইটির কুমিল্লা লজ সংস্কার কাজ পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু আজকের শিশু আগামী দিনের দেশ গড়ার মহান সৈনিকঃ ডা. জুবাইদা রহমান

মতলবে খাল খননের ২০ লক্ষাধিক টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে  প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও

Lovelu / ৪৮ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

 নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুর মতলব উত্তরে খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের অব্যবহৃত ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও)মাহমুদা কুলসুম মনি ।

পিআইও অফিস সূত্রে জানা যায় , সরকার মতলব উত্তর উপজেলার পানি নিস্কাশনের খাল পুনঃখনন কাজের জন্য মুন্সিরকান্দি-লবাইরকান্দি ব্রীজ থেকে ব্রাহ্মণচক কলসভাঙ্গা ব্রীজ পর্যন্ত ৩.৫ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা বরাদ্দ দেয়। তারমধ্যে ১কোট ৬০লাখ ৯হাজার ৬৪৩টাকা খরচ করা হয়েছে। খাল খনন কাজ শেষ অবশিষ্ট ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দের অব্যবহৃত টাকা ফেরত দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও)মাহমুদা কুলসুম মনির এ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সাধারন মানুষ  ও সুশীল সমাজের প্রশংসায় ভাসছেন ।

স্থানীয়রা বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত নগদ টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল। খাল খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। খালটির দুপাশে গাছের চারা রোপণ করায় এক নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ীভাবে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category