এম.এ.এইচ. রাকিবুল ইসলাম
ময়মনসিংহের ত্রিশালে খিরু নদীর ওপর পোড়াবাড়ী বাজারসংলগ্ন জরাজীর্ণ বেইলি ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। অথচ প্রায় ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন সেতুর কাজ দেড় বছর আগে শেষ হলেও সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় সেটি এখনো চালু হয়নি। এতে ত্রিশাল ও পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়িয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রিশাল-পোড়াবাড়ী সড়কে ১৯৮০-এর দশকে নির্মিত পুরোনো বেইলি ব্রিজটির পাটাতন ভেঙে ও ক্ষয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পাটাতন না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকেরা।
দুর্ভোগ কমাতে ২০২২ সালে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রায় ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭০ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ২০২৩ সালের আগস্টে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় সেতুটি চালু করা যায়নি। বর্তমানে কাঠের মই দিয়ে নতুন সেতুতে ওঠানামা করছেন স্থানীয় লোকজন।

গত ২৩ জুলাই ২০২৬ ত্রিশালের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী সেতুটি পরিদর্শন করে পরবর্তী সপ্তাহে চালুর আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে সেই আশ্বাসের পরও সেতুটি চালু হয়নি।
সেতুটি চালু হলে দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে। তাই জমি অধিগ্রহণ জটিলতা দ্রুত নিরসন করে নতুন সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের আশঙ্কা, জরাজীর্ণ বেইলি ব্রিজ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।