• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
মতলবের মেঘনায় লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ রবিনের লাশ ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার ফ্রি হার্ট ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা নিলেন কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকরা কুমিল্লার লালমাই পাহাড়চূড়ায় স্বামী আত্মানন্দ গিরি মহারাজের ৮ম তিরোধান স্মরণানুষ্ঠান মতলবের মেঘনা নদীতে লঞ্চ থেকে পড়ে যুবক নিখোঁজ, লঞ্চসহ দুই জন আটক মতলব উত্তরে পুকুরের পানিতে ডুবে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু বৃষ্টিতে বেহাল মতলব উত্তরের সরদারকান্দি-ছোটহলদিয়া গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির শপথ গ্রহণ ও চার্জ বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকায় নির্মিত সড়কে নিম্নমানের কার্পেটিংয়ের অভিযোগ মতলব উত্তরে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘন্টার পর সিয়ামের মৃত্যু  ত্রিশালের ২৩৬ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

গম্বুজ-মিনারে মোগল স্থাপত্য, চার শতক ধরে দাঁড়িয়ে সেকান্দরনগর মসজিদ

Lovelu / ৬৬ Time View
Update : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কালের বিবর্তনে বহু স্থাপনা হারিয়ে গেলেও চার শতকেরও বেশি সময় ধরে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়নের সেকান্দরনগর সাহেববাড়ি জামে মসজিদ। গম্বুজ, মিনার, খিলান ও কারুকাজে মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলীর ছাপ রয়েছে প্রাচীন এই মসজিদে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদটি আনুমানিক ১৬০০ শতকের দিকে নির্মিত। পোড়া ইট, চুন-সুরকি, খয়ার ও সুপারির কষসহ তৎকালীন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছিল বলে স্থানীয়দের দাবি।

মসজিদের ছাদে রয়েছে তিনটি গম্বুজ—মাঝে বড় এবং দুই পাশে ছোট দুটি। ওপরের অংশে রয়েছে অষ্টভুজাকৃতির ১২টি ছোট মিনার। ভেতরে রয়েছে নান্দনিক মিহরাব। নামাজকক্ষে প্রায় ৭০-৭৫ জন এবং বাইরের আঙিনায় আরও প্রায় ২০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

মসজিদের পাশেই রয়েছে একটি প্রাচীন জলাশয়। স্থানীয়দের মতে, একসময় মুসল্লিদের অজুর সুবিধার জন্য এটি খনন করা হয়েছিল। মসজিদের ইমাম মাওলানা সৈয়দ আবু সায়েম জানান, ১৯৯৮ সালে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মসজিদটির সংরক্ষণকাজ করে। ২০২৫ সালে জলাশয়ের পাড় রক্ষায় নির্মাণ করা হয় প্রতিরক্ষা প্রাচীর।

স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ইতিহাস অনুযায়ী, হজরত শাহ সেকান্দরের নামানুসারেই এলাকার নাম সেকান্দরনগর হয়।

স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি শুধু উপাসনালয় নয়, এটি পূর্বপুরুষের স্মৃতি ও এলাকার ঐতিহ্যের অংশ। ঐতিহাসিক স্থাপনাটি সংরক্ষণে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও আরও গবেষণার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

চার শতকের ইতিহাস বুকে ধারণ করে সেকান্দরনগর সাহেববাড়ি জামে মসজিদ আজও দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category