• সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
Headline
ঢাকাস্থ চাঁদপুর জেলা বিসিএস অফিসার্স ফোরামের কমিটি গঠন আইএসকেএ চ্যাম্পিয়নশিপে ‎ব্রোঞ্জ পদক পেলেন মতলবের বক্সার জিদান রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লার অফিসিয়াল ক্লাব গভর্নর ভিজিট অনুষ্ঠিত ত্রিশালে ইত্তেফাকুল উলামার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন, সদস্য-দায়িত্বশীলদের উপস্থিতির আহ্বান দীর্ঘদিন মামলার জটিলতা শেষ মালিককে জমির দখল বুঝিয়ে দিলেন আদালত গম্বুজ-মিনারে মোগল স্থাপত্য, চার শতক ধরে দাঁড়িয়ে সেকান্দরনগর মসজিদ কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারতীয় সীমান্ত থেকে অর্ধকোটি টাকার অবৈধ চোরাচালানী মালামাল জব্দ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করেঃ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বেনাপোলে লোহাবোঝাই ভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত, আহত ২ জন চাঁদপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মাদ্রাসাছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রতিবন্ধী শিল্পী আক্তারের কাটছে দুই যুগের বন্দী জীবন

Lovelu / ৩০২ Time View
Update : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২

মাহবুব আলম লাভলু :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের উত্তর লুধুয়া গ্রামে কখনো হাতে কখনো বা পায়ে বেঁেধ রাখা হয় প্রতিবন্ধী শিল্পী আক্তার (৩২)কে। দিনে বাড়িতে গাছের সাথে আর রাতে ঘরে চৌকির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয় তাকে। দুই যুগের বেশি সময় ধরে এভাবেই সময় কাটছে তার। মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়েটির টাকার অভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা।

জানা যায়, শিল্পীর বাবা মা কেউ বেঁেচ নেই। আছে সৎ মা আর ৪ ভাই ২ বোন। ভাইদের মধ্য কেউ মামার বাড়িতে আর কেউবা শশুর বাড়িতে থাকে। কেউ রিকশা চালায় আর কেউ কাঠ মিস্ত্রির কাজ করে।

বড় ভাই লিটন জানান, জন্মের পর হঠাৎ প্রতিবন্ধীর মতো হয়ে পড়ে শিল্পী। যখন বাবা ছিল তখন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ও কবিরাজ দিয়ে তাকে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু সুস্থ হয়নি। ক্রমেই মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। সুযোগ পেলেই এদিক-সেদিক চলে যায়। এজন্য বাধ্য হয়ে আটকে রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, অভাবের সংসারে তিনিই একমাত্র উর্পাজনের উৎস। ভাইয়েরা বিয়ে করে আলাদা সংসার করছে। শিল্পীকে নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছি। সহযোগীতার মধ্যে একটি ভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। সেই টাকা দিয়ে তার বরন পোষণ হয় না।

স্থানীয় বাসিন্দা কয়েকজন জানান, অতি দরিদ্র পরিবারটির পক্ষে শিল্পী আক্তার চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। তবে উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। তাই যদি কোনো সুহৃদয়বান ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় তাহলে পরিবারটির খুবই উপকার হতো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category