• রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
Headline
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না  – ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  মতলব উত্তরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না—ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি  বিজ্ঞান মনস্ক হওয়ায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ে নারীদের গৌরবময় অংশ গ্রহণ বিদ্যমানঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  মতলব উত্তরে কালবৈশাখী ঝড়ে তান্ডবে লন্ডভন্ড দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস উল্টে নদীতে এ দেশ আমাদের সকলের, উন্নয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবার দায়িত্বঃ মন্ত্রী-জাহিদ শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের এপিএস হলেন চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ওমর ফারুক মতলব উত্তরে ফরাজীকান্দি দরবারে সোহেল পাটোয়ারীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল মতলবের পদ্মা-মেঘনায় মধ্যরাত থেকে  দুই মাস ইলিশ অভয়াশ্রমে মাছ ধরা নিষেধ

সোনালী আঁশ পাটও পাট জাতদ্রব্য কে বাঁচাতে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত

Lovelu / ৫২০ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী:

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সোনালী আঁশ পাটের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ।

সফল কৃষক মোঃ আব্দুল গফুরএ প্রতিনিধিকে জানান,তাদের পূর্ব পুরুষ কৃষক পরিবার।তিনি ও ছোটবেলা হতে কৃষিকাজে নিয়োজিত রয়েছে।

তিনি জানান ছোটবেলা থেকেই শুনেছি পাট ছিল সোনালী আঁশ কারণ এ পাট ও পাট জাত দ্রব্য বিদেশে বিক্রয় করে বিদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা আয় হত বলে পাটকে সোনালী আঁশ বলে। আশির দশকের পূর্বে পাট ও পাট জাত দ্রব্যের জমজমাট ব্যবসা থাকলেও এরপর পলিথিন ব্যাগ বাজারে আসায় বিশ্ববাজার হতেপাট জাত দ্রব্যরপ্তানি কমে যায়।এতে কৃষক লাভের মুখ দেখেনি।গত দুই বছর যাবত বাজারের পাটের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়পাট চাষে তারা আগ্রহী হয়েছেন বলে জানান।

বর্তমানে প্রতি মন পাট বিক্রি হচ্ছে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।এতেই তারা সন্তুষ্ট

তিনি আরো জানান,শুনেছি বর্তমান সরকার বাজার হতে পলিথিন উঠিয়ে দিবে সত্যই যদি তা বাস্তবায়িত হয়।তাহলে পাটের আবার সোনালী দিন ফিরে আসবে।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে,দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারএশিয়ার সর্ববৃহৎ আদমজী জুটমিল সহ৭৭ জুটটি মিল জাতীয়করণ করেন।

আশির দশকে বিশ্ব বাজারে পলিথিন ব্যাগের প্রচলন শুরু হলে
পাট ও পাট জাত দ্রব্যের আন্তর্জাতিক বাজারে ধ্বস নামলে তৎকালীনবাংলাদেশ সরকার পাটকল গুলোকে ব্যক্তি মালিকানায় ফেরত দেন।এরপর পাট কল গুলো অলাভজনক ও রুগ্ন প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিণত হয়।বর্তমানে বেশিরভাগ পাটকল গুলি বন্ধ হয়ে গেছেযেগুলো চালু রয়েছে সেগুলোরগ্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত হয়েছে।

বর্তমান সরকারপাটজাট শিল্পকে বাঁচানোর জন্য পলিথিন বন্ধের যে উদ্যোগ নিয়েছেন সে উদ্যোগকে কৃষক শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category