• রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
Headline
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না  – ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  মতলব উত্তরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না—ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি  বিজ্ঞান মনস্ক হওয়ায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ে নারীদের গৌরবময় অংশ গ্রহণ বিদ্যমানঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  মতলব উত্তরে কালবৈশাখী ঝড়ে তান্ডবে লন্ডভন্ড দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস উল্টে নদীতে এ দেশ আমাদের সকলের, উন্নয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবার দায়িত্বঃ মন্ত্রী-জাহিদ শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের এপিএস হলেন চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ওমর ফারুক মতলব উত্তরে ফরাজীকান্দি দরবারে সোহেল পাটোয়ারীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল মতলবের পদ্মা-মেঘনায় মধ্যরাত থেকে  দুই মাস ইলিশ অভয়াশ্রমে মাছ ধরা নিষেধ

শ্রীনগরে সবজি বিক্রেতা শিশু রাতুল লেখাপড়া করে মায়ের দুঃখ গোছাবে

Lovelu / ২২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকীঃ

মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে রাতুল ১৩ বছরের শিশু। ঢাকা দোহার সড়কে কাদেরের দোকান নামক ফুটপাতের বাজারে সবজি বিক্রি করে থাকে, এরপর যা অবশিষ্ট থাকে গ্রামে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করে।

রাতুল এ প্রতিনিধিকে জানায়, তারা দুই ভাই এক বোন,বোন সবার বড়। বোনের আগেই বিবাহ হয়েছে।বাবা ১০ বছর আগে বাড়ি হতেনিখুঁজ হয়েছেনতার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি বাড়ি ওফিরে আসেননি। তখন তার বয়স মাত্র তিন বছর,বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর সংসারে হাল ধরেন মা,বাবার ছোট্ট একটি জমি রয়েছে সে জমিতে মা বিভিন্ন প্রকার সবজির চাষ করেন,সন্ধ্যার পূর্বে মা এসবজি উত্তোলন করে সযতনে ঘরে রাখেন,ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাতুল এই সবজি নিয়ে চলে আসে ঢাকা দোহার সড়কে কাদেরের দোকান নামক বাজারে এবাজারে সবজি বিক্রি শেষে যা অবশিষ্ট থাকে তা গ্রামে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করে।

গ্রামের গৃহবধুরা জানেন ছোট্ট শিশু রাতুল সবজি বিক্রি করার পর ও লেখাপড়া করে এ কথা জেনে গৃহ বুধরা তাকে স্নেহ করেন ও একটু বেশি দামদিয়ে সবজি সংগ্রহ করেন।

রাতুল এ প্রতিনিধিকে জানায়,বর্তমানে সে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র,মায়ের শ্রম এবং সবজিরআয় দিয়ে তাদের সংসার চলে কারো কাছ থেকে তারা আর্থিক সংগ্রহ করেন না। শত কষ্টের মাঝেও তার মায়ের উৎসাহে সে তার লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে,তার দৃঢ় বিশ্বাস সে লেখাপড়া শেষে বড় একটি চাকুরী পাবে। আর চাকরি পেয়ে সে তার মার দুঃখ গোছেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category