• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
Headline
মেডিকেল কলেজ শুধু ডাক্তার তৈরি করেনি, সমাজনেতাও তৈরি করেছেঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিদ্ধিরগঞ্জে শিরিন হাবিবের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন চাঁদপুরে তিন নদীর মোহনায় ৫ হাজার বস্তা ধান-চালবোঝাই কার্গোডুবি জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা পৌঁছে দিতে হবেঃ চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মতলব উত্তরে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তনের জন্য ড্রেজার স্থাপন করায় ৪০ হাজার টাকা অর্থদন্ড মতলব উত্তরে দিবালোকে প্রাইভেটকারে বাছুর চুরির চেষ্টা! জনতার হাতে আটক ২ অপরাধমুক্ত ও মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : বশির আহমেদ  আলী আহম্মদ মিয়া বহুমুখী মহাবিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ

মৃৎশিল্প বিলুপ্তির পথে

Lovelu / ৪১৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকীঃ

মাটি দিয়ে তৈরি মৃৎশিল্প বিলুপ্তির পথে। যুগ যুগ ধরে মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য হিসেবে মাটির হাড়ি, পাতিল, কলস, থালা, বাসন, বাটি নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে থাকতেন প্রতিটি বাড়ির গৃহিণীরা।

এসব মাটির হাড়ি পাতিলে রান্না  করতেন, মাটির কলস পানির কাজে ব্যবহার।বাসনে  নিজেরা নিত্যদিনের খাবার খেতেন।
অতিথিরা আসলে তাদেরকেও এসব মাটি মাটির বাসনে খাবার পরিবেশন করা হতো।

আর এসব দ্রব্য মাটি দিয়ে তৈরি যারা তৈরি করতেনতাদেরকে বলা হয় কুমাড়।

আধুনিক যুগে তা হারিয়ে গেলও কিছু কিছু এলাকায় এখন ও এইসব দ্রব্য তৈরি হচ্ছে।

ঢাকা জেলার দোহার জয়পাড়া খাড়াকান্দি এলাকার কুমার বাড়ির রিতা দেবী,জয় পাড়া কলেজ গেট সংলগ্ন পল্লী ভবনের সম্মুখীন,মাটি তৈয়ারী,হাড়ি পাতিল কলস থালা-বাসন,মাটির ব্যাংক,নিয়ে সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলেন তাদের তৈরি কৃত হাড়ি পাতিল বিক্রির জন্য।

তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলও এখনো পর্যন্ত একটি দ্রব্য বিক্রি হয়নি।

তিনি জানান,এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছাকাছি তিনি মাটির তৈরি কৃত দ্রব্য নিয়ে বসেছিলেন অনেক আশা নিয়ে।এখানে অনেক অভিভাবক আসলেও কেউ মাটি দ্রব্য কিনছেন না।

তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এই কারণেই কুমাড়রা মাটির তৈরি কৃত শিল্প কেউ বানাচ্ছেন না।কুমাড়া তাদের জীবন জীবিকার তাগিদে নিজ পেশা ছেড়ে অন্য পেশা বেছে নিয়েছেন।তাই আজ মৃৎশিল্প বিলুপ্তির পথে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category