• শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়,বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্বঃ জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের প্রধান করণীয় হলো নিরপেক্ষতা ও সত্যনিষ্ঠা বজায় রাখা ……ইউএনও কেএম ইশমাম ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সন্ধ্যায় জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবিঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি সামাজিকভাবে দুর্নীতিরবাজদের ঘৃনা করা উচিতঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি মানুষের দুঃসময়ে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধান দায়িত্বঃ জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার মতলব উত্তরে বিজয় দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায় দুর্বলতা উচ্চশিক্ষায় প্রভাব ফেলেঃ ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  ধনাগোদা নদীর ওপর মতলব-গজারিয়া ঝুলন্ত সেতু প্রকল্প পরিদর্শনে কোরিয়ান প্রতিনিধি দল

মৃৎশিল্প বিলুপ্তির পথে

Lovelu / ৩৭৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকীঃ

মাটি দিয়ে তৈরি মৃৎশিল্প বিলুপ্তির পথে। যুগ যুগ ধরে মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য হিসেবে মাটির হাড়ি, পাতিল, কলস, থালা, বাসন, বাটি নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে থাকতেন প্রতিটি বাড়ির গৃহিণীরা।

এসব মাটির হাড়ি পাতিলে রান্না  করতেন, মাটির কলস পানির কাজে ব্যবহার।বাসনে  নিজেরা নিত্যদিনের খাবার খেতেন।
অতিথিরা আসলে তাদেরকেও এসব মাটি মাটির বাসনে খাবার পরিবেশন করা হতো।

আর এসব দ্রব্য মাটি দিয়ে তৈরি যারা তৈরি করতেনতাদেরকে বলা হয় কুমাড়।

আধুনিক যুগে তা হারিয়ে গেলও কিছু কিছু এলাকায় এখন ও এইসব দ্রব্য তৈরি হচ্ছে।

ঢাকা জেলার দোহার জয়পাড়া খাড়াকান্দি এলাকার কুমার বাড়ির রিতা দেবী,জয় পাড়া কলেজ গেট সংলগ্ন পল্লী ভবনের সম্মুখীন,মাটি তৈয়ারী,হাড়ি পাতিল কলস থালা-বাসন,মাটির ব্যাংক,নিয়ে সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলেন তাদের তৈরি কৃত হাড়ি পাতিল বিক্রির জন্য।

তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলও এখনো পর্যন্ত একটি দ্রব্য বিক্রি হয়নি।

তিনি জানান,এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছাকাছি তিনি মাটির তৈরি কৃত দ্রব্য নিয়ে বসেছিলেন অনেক আশা নিয়ে।এখানে অনেক অভিভাবক আসলেও কেউ মাটি দ্রব্য কিনছেন না।

তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এই কারণেই কুমাড়রা মাটির তৈরি কৃত শিল্প কেউ বানাচ্ছেন না।কুমাড়া তাদের জীবন জীবিকার তাগিদে নিজ পেশা ছেড়ে অন্য পেশা বেছে নিয়েছেন।তাই আজ মৃৎশিল্প বিলুপ্তির পথে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category