• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
মতলব উত্তরের মেঘনা পাড়ে রাসেল ভাইপার কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে বাড়িতে যুবক কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল ডিবেট ক্লাবের ‘ডিবেটার হান্ট ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন প্রতি পরিবার থেকে আমরা মাদকে না বলি, তাহলে মাদক নিমূল হয়ে যাবে: ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  শ্রীনগরে উৎসব মুখর পরিবেশে  বাংলা নববর্ষ উদযাপন মতলব দক্ষিণে প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উদযাপিত মতলব উত্তরে উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষ উদযাপন  মানুষ যেন সঠিক চিকিৎসা সেবা পায় সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশী  গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার… ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না  – ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  মতলব উত্তরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি  শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না—ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি 

২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত মতলবের আতিক

আজও তারা বাবার ছবির দিকে তাকিয়ে চোখের পানি ফেলে

Lovelu / ৩১৯ Time View
Update : রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০২২

ইসমত বাহারঃ

আজও তারা বাবার ছবির দিকে তাকিয়ে চোখের পানি ফেলে। বাবাকে হারিয়ে আজ আমার সন্তানরা এতিম। প্রধানমন্ত্রীর দয়ায় তিন ছেলে ও এক মেয়ের মুখে দুই বেলা ভাত তুলে দিতে পারলেও বাবার অভাব পূরণ করতে পারিনি। এভাবেই বলছিলেন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনী গ্রামের আতিক উল্লাহর স্ত্রী লাইলী বেগম।

তিনি বলেন, ৫ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী আমার দুই সন্তানকে যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ৫ বছর পার হলেও এখনো মেলেনি চাকরি। তাই এতিম সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে আমি শঙ্কিত।

নিহত আতিক উল্লাহর বড় ছেলে মো. মিথুন সরকার জানায়, এখনো খুঁজি আমরা বাবাকে। রাতের আঁধারে মায়ের কান্না আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বাবার সব স্মৃতি। তখন মনের অজান্তেই হারিয়ে যাই বাবার সান্নিধ্যের অপার আনন্দের দিনগুলোতে। আর তখনই দুচোখ বেয়ে বেরিয়ে পড়ে অশ্রু। তিনি বলেন, বাবার অভাব আমরা প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করি।

নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মতলব উত্তরের আতিকের শোকে কাতর স্বজনরা। প্রিয়জনদের হারানোর বেদনা এখনো তাদের কাঁদায়। তবে সরকারিভাবে তাদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে।

এদিকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঘটে যাওয়া গ্রেনেড হামলার রায় হলেও পুনরায় আপিল করায় এখন হাইকোর্টে তা বিচারাধীন। এমতাবস্থায় বিচারের রায় দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন ওই ঘটনায় নিহত চাঁদপুরের মতলব উত্তরের পাঁচআনী গ্রামের আতিক উল্ল্যাহর স্বজনরা। দীর্ঘ ১৭ বছরেও এ হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্য শেষ না হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

যদিও ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই বারে পরিবারেকে ১১ লাখ টাকা করে অনুদান দেন। এরপর পুনরায় গত ২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল আতিক উল্লাহর ৪ সন্তান ও স্ত্রীকে ২৫ লাখ টাকা দেন। যা দিয়ে তাদের পরিবারে কিছুটা স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে।

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুছ জানান, শুধু কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়েই ওইসব পরিবারের শোক মুছে ফেলা যাবে না। অপরাধীরা শাস্তি পেলে কিছুটা হলেও তারা শান্তি পাবে। তাই দ্রুত বিচারের রায় কার্যকরের দাবি জানান তিনি।

উল্লেখ্য, আতিকুর রহমান ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে ঢালাই শ্রমিকের কাজ করতেন। শ্রমিক লীগের সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি যোগদান করেছিলেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সেদিন তাকে জীবন দিতে হয়েছিল ঘাতকদের গ্রেনেড হামলায়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category