নিজস্ব প্রতিবেদক
কুরআনের আলোয় আলোকিত প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে “তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন”র আয়োজনে ১৪তম হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব অনুষ্ঠানে অংশ নেন মতলব উত্তর উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষার্থী “তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসা নারায়ণগঞ্জ শাখার” হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন শোয়াইব দিন শহীদ।
শোয়াইব দিন এর পিতা মুঠোফোনে শহীদুল্লাহ রানা জানান আজ আমার একমাত্র পুত্র সন্তান তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন”র আয়োজনে ১৪তম হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন। আমি বাবা আমার পুত্র সন্তানের এই অর্জনে আল্লাহর কাছে সন্তুষ্টি জ্ঞাপন করছি। এবং আমার সন্তানের জনের জন্য দোয়া চাই।
আজ পবিত্র কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াতে মুখরিত বিশাল মিলনায়তন, শুভ্র পোশাকে সজ্জিত হাজারো হাফেজের সারি, অভিভাবকদের চোখেমুখে আনন্দ-গর্বের দীপ্তি আর কুরআনের প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত এক অনন্য আয়োজন—সব মিলিয়ে যেন পবিত্রতা, আবেগ ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব মিলনমেলা। কুরআনের আলোয় আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলা এবং পবিত্র কুরআনের হাফেযদের উৎসাহিত ও সম্মানিত করার মহতী প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ১৪তম হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব। যা ১৭৫৯ জন হাফেয শিক্ষার্থীকে তানযীমুল উম্মাহ‘র সংবর্ধনা, সম্মানিত হলেন তাঁদের গর্বিত পিতা-মাতাও।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন পরিচালিত বিভিন্ন শাখার ১ হাজার ৭৫৯ জন হাফেয শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, সনদ, পাগড়ি/স্কার্ফ ও অ্যাওয়ার্ড ব্যাগ প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে তাঁদের পিতা-মাতাকেও বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। সন্তানদের কুরআনের হাফেয হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে অভিভাবকদের ত্যাগ, সাধনা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ইসলামী চিন্তাবিদ, কুরআন গবেষক, বিশিষ্ট অতিথি, আলেম-উলামা, শিক্ষক, অভিভাবক ও হাজারো হাফেয শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল। সকাল থেকেই অভিভাবকদের হাত ধরে একে একে আসতে থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। তাদের অধিকাংশই পবিত্র কুরআনের হাফেয—যাদের কণ্ঠে ধারণ করা রয়েছে আল্লাহর কালাম, আর যাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় কুরআনের শিক্ষা হয়ে উঠতে পারে নৈতিকতা, মানবিকতা ও আলোকিত সমাজ গঠনের দিশারি।