• মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হলেন আব্দুল আজিজ কোরবানির পশুর কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী  মতলব উত্তরের মেঘনা পাড়ে রাসেল ভাইপার কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে বাড়িতে যুবক কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল ডিবেট ক্লাবের ‘ডিবেটার হান্ট ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন প্রতি পরিবার থেকে আমরা মাদকে না বলি, তাহলে মাদক নিমূল হয়ে যাবে: ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  শ্রীনগরে উৎসব মুখর পরিবেশে  বাংলা নববর্ষ উদযাপন মতলব দক্ষিণে প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উদযাপিত মতলব উত্তরে উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষ উদযাপন  মানুষ যেন সঠিক চিকিৎসা সেবা পায় সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশী  গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার… ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না  – ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি 

মতলবে বালতির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুঃ মায়ের আহাজারি

Lovelu / ১৮৫ Time View
Update : বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩

গোলাম নবী খোকনঃ

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকায় পানিতে ডুবে শিশু রাইসা মনি (০১) মৃত্যুবরণ করেছেন। কন্যা সন্তানকে হারিয়ে মায়ের আহাজারি। নানা সিরাজ ভূইয়ার বাড়িতে শোকের মাতম।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) সকালে অন্যান্য দিনের মতোই খেলাধুলা করছিলো শিশু রাইসা। পাশেই বাড়ির উঠান ঝাড়ু দিচ্ছিলেন মা নাসরিন বেগম। হঠাৎ করে রাইসাকে দেখতে না পেয়ে মেয়েকে খোঁজা শুরু করলে ঘরের কোনায় বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখা বালতিতে শিশু রাইসাকে পরে থাকতে দেখে ডাক চিৎকার দিলে আশেপাশের প্রতিবেশীরা এসে তাকে তাৎক্ষণিক মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তথ্যটি নিশ্চিত করে রাইসার মা নাসরিন বেগম বলেন’ মঙ্গলবার সকালে আমি উঠান ঝাড়ু দিচ্ছিলাম, আমার পাশেই খেলছিলো রাইসা। ঝাড়ু দেওয়া শেষে ঝাড়ু রেখে এসে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খুঁজে দেখি ঘরের পাশে রাখা বৃষ্টির পানি জমানো বালতিতে পরে আছে রাইসা। পরে ডাক চিৎকার দিলে প্রতিবেশী খোরশেদ আলম ঝাকিয়ে তার পেটে পানি বের বের করার চেষ্টা করেন। কিন্ত রাইসার কোনো সাড়া না পাওয়ায় তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

আদরের শিশুসন্তানকে হারিয়ে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন মা নাসরিন বেগম। কান্নায় ভেঙ্গে পরছে রাইসার নানী বাড়ি এলাকার স্বজনেরা।

রাজু- নাসরিন দম্পতীর ঘড়ে দ্বিতীয় সন্তান হিসেবে জন্মেছিলেন রাইসা। ৫ বছর বয়সী বড়ভাই তার বোন হারানোর বিষয়টি কোনোভাবেই বুঝে উঠতেই পারছেন না। তবে দীর্ঘদিন ধরে বাবার সাথে দূরত্ব থাকায় তারা নানীর বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।তাদের দাদার বাড়ী গাজিপুরের টঙ্গী এলাকায়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category