• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline
চাঁদপুরে তারেক রহমানের জনসভায় মতলব উত্তরের নেতাকর্মীদের লঞ্চযাত্রা ও অংশগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবেঃ প্রধানমন্ত্রী  ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হলেন আব্দুল আজিজ কোরবানির পশুর কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী  মতলব উত্তরের মেঘনা পাড়ে রাসেল ভাইপার কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে বাড়িতে যুবক কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল ডিবেট ক্লাবের ‘ডিবেটার হান্ট ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন প্রতি পরিবার থেকে আমরা মাদকে না বলি, তাহলে মাদক নিমূল হয়ে যাবে: ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি  শ্রীনগরে উৎসব মুখর পরিবেশে  বাংলা নববর্ষ উদযাপন মতলব দক্ষিণে প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উদযাপিত মতলব উত্তরে উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষ উদযাপন 

জিপিএ-৫ পাওয়া যমজ তিন ভাইবোনকে বিভিন্ন দপ্তর থেকে সংবর্ধনা

Lovelu / ১৬১ Time View
Update : রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩

মোঃ আবু সাঈদ, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর যমজ (ট্রিপলেট বেবি) তিন ভাই-বোনকে বিভিন্ন দপ্তর থেকে সংবর্ধনা দিয়েছেন। দারিদ্রতার কষাঘাতে অভাবের সংসারে একসেট গাইব বই দিয়েই তারা তিন ভাইবোন পড়াশোনা করেছে।

 

এদিকে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তাদের সংবর্ধনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেবাশীষ চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আনিচুর রহমান, বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদ হোসেন, বাবা জোহানেশ মুরমূ ও মা সোহাগিনী হাঁসদা উপস্থিত ছিলেন। দরিদ্র পরিবারের এই যমজ (ট্রিপলেট বেবি) তিন ভাই-বোনকে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে তাদের পড়াশোনার খরচ বহনসহ যাবতীয় বিষয়ে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।

অপর দিকে মাননীয় রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের সহ ধর্মিনী এবং বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তর থেকে তাদের সংবর্ধনা প্রদান করেন এবং তাদের পরবর্তী লেখা পড়াসহ যে সমস্যায় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের বিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে যমজ (ট্রিপলেট বেবি) তিন ভাই-বোনই জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদের মধ্যে একজন জিপিএ-৫ গোল্ডেনও পায়। তাঁদের এই ফলে বাবা-মাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং উপজেলাবাসী খুশি ও আনন্দিত।

 

মা সোহাগিনী হাঁসদা বলেন, আমার কোলে জমজ তিন ছেলে-মেয়ে আসার দিন বাড়িতেও আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল। আজ তাদের ভালো রেজাল্টের খবরে বাড়িতে একই আনন্দ বইছে। আমাদের সামান্য জ্ঞান দিয়ে আমার তিন ছেলে মেয়েকে সাধ্যমতো পড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমার স্বামীর সামান্য আয়ে সংসার চলে। দারিদ্রতার কারণে ক্লাসের জন্য তিন ছেলে মেয়েকে আলাদা করে গাইড-নোট বই কিনে দিতে পারি নাই। তাই এক সেট নোট-গাইড দিয়ে তিন ভাইবোন লেখাপড়া করেছে।

 

তিনি আরও বলেন, ছেলে মেয়েরা বড় হচ্ছে। তাদের লেখাপড়ার খরচ সহ অন্যান্য খরচও বাড়ছে। তাদের স্বপ্নপূরণে ভালো প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করাতে অনেক খরচ লাগবে। তাই সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলে আমাদের সন্তানদের স্বপ্নপূরণ হবে বলে আশা করছি।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category